gdata.io.handleScriptLoaded({"version":"1.0","encoding":"UTF-8","feed":{"xmlns":"http://www.w3.org/2005/Atom","xmlns$openSearch":"http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/","xmlns$gd":"http://schemas.google.com/g/2005","xmlns$georss":"http://www.georss.org/georss","xmlns$thr":"http://purl.org/syndication/thread/1.0","xmlns$blogger":"http://schemas.google.com/blogger/2008","id":{"$t":"tag:blogger.com,1999:blog-7469308662950623629"},"updated":{"$t":"2023-12-20T15:05:20.528+06:00"},"category":[{"term":"বিদেশীদের মত ইংরেজি উচ্চারণ শেখার সহজ উপায়"},{"term":"মৃত্যুর দরজা যেখানে গেলে মৃত্যু অবধারিত"},{"term":"সন্ধি বিচ্ছেদ"},{"term":"খামারের জন্য শীর্ষ ১০ ছাগলের জাত"},{"term":"দুধ উৎপাদনে শীর্ষ ১০ ছাগল জাত"},{"term":"বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন"},{"term":"খুবই গুরুত্বপূর্ণ ১০০ টি সাধারণ বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রশ্ন"},{"term":"রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কী খাবেন?"},{"term":"Adolf Hitler's biography and his incredible courage."},{"term":"জরায়ু"},{"term":"শিশু"},{"term":"The best  5 whitening cream for face."},{"term":"একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী? A dog named palma movie review"},{"term":"২০২১ সালের সকল সিমের সাশ্রয়ী অফার"},{"term":"সর্বকালের সবচেয়ে বিখ্যাত ৭ জন বাঙালী নাস্তিক"},{"term":"সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।"},{"term":"ক্লান্তি লাগার কারণ ও দূরীকরণের উপায়"},{"term":"Breast Cancer Causes Symptoms Remedies Prevention and Treatment."},{"term":"How to learn English from Bangla very fast ways Lesson-1 to 5"},{"term":"মাছ ধরতে গিয়ে লিঙ্গের মধ্যে জোঁক ঢুকল এক যুবতী নারীর।"},{"term":"ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়"},{"term":"Bangla Keywords:  List of most searched words in Google"},{"term":"Bangla SEO Keywords:Top 150+ best SEO Bangla Keywords"},{"term":"ছেলে মেয়ে দুইটি নাম কিন্তু বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন নামে ডাকা হয়"},{"term":"Top Bangla Pages Popular Website."},{"term":"Top 30 trusted online shopping websites in Bangladesh."},{"term":"ডু-ফলো ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটের তালিকা"},{"term":"জনপ্রিয় ও তারকা ব্যক্তিদের কিছু অন্যরকম আগ্রহ"},{"term":"বর্তমান সময়ের কুখ্যাত ৪ জন বাঙালি নাস্তিক"},{"term":"যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই"},{"term":"খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি"},{"term":"প্রজাপতি মাছ অবিকল প্রজাপতির মত উড়ে"},{"term":"Don't tell you"},{"term":"শিশুর নিউমোনিয়া"},{"term":"স্তন ক্যান্সারের কারণ লক্ষণ প্রতিরোধ"},{"term":"The Most google searched Pharmaceutical Keywords with Bangla"},{"term":"List of all General Secretary names in the United Nations."},{"term":"সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন নারী বডিবিল্ডার"},{"term":"The 10 Best Ideas for Creating YouTube Videos"},{"term":"Bangla Business Keywords:Top 500 Best Bangla  Business Keywords"},{"term":"সেরা ১০ জন বাঙালি গায়িকা"},{"term":"বিল গেটস এর জীবনী ও সফল হওয়ার গল্প"},{"term":"Internet Marketing Keywords Bangla"},{"term":"তারিখ ও ব্রেকিং নিউজ সেটিং"},{"term":"10 most attractive places to visit in Czech Republic."},{"term":"প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণ"},{"term":"Woman birth like elephant baby."},{"term":"ছাত্রছাত্রী ও বেকারদের জন্য সুখবর"},{"term":"গরুর দাম চাইলো ৫০ লাখ বিক্রি হলো ৩৭ লাখে"},{"term":"প্রথম সন্তান কখন নেবেন?সন্তান না হওয়ার কারণ"},{"term":"গুগল কী সব সময় সঠিক তথ্য প্রদান করে?"},{"term":"প্রথম প্রেম কেন ভোলা যায় না"},{"term":"সাধারণ বিজ্ঞান"},{"term":"ইসলামের মূল ইতিহাস"},{"term":"বাংলাদেশের প্রখ্যাত ২৫ জন চলচ্চিত্র পরিচালক"},{"term":"বাংলা ভাই যেভাবে হলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী।"},{"term":"বাগধারা"},{"term":"I kept you."},{"term":"আল্লাহ তায়ালা বলে নাকি কিছুই নেই"},{"term":"Is ICO a scam or a true Business process"},{"term":"গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার"},{"term":"যেভাবে পুরানো কম্পিউটার নতুন করবেন"},{"term":"unique poem and song"},{"term":"known as the gate of death."},{"term":"একসাথে ২১ জন বিদেশীকে পার করতেন একজন বাঙালি নারী।"},{"term":"ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার সহজ ৭টি উপায়"},{"term":"Without you"},{"term":"পিত্তথলি"},{"term":"অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল এখনই আবেদন করুন"},{"term":"১৯৬০-২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকাই সিনেমার সর্বোচ্চ ব্যবসাফল ছবির তালিকা"},{"term":"চাঁদ সম্পর্কে অজানা ও অবাক করা ৮টি তথ্য"},{"term":"মোটা নারীদের নিয়ে আপনাদের যতসব ভুল ধারণা"},{"term":"14 feet tall mustache and the tallest mustache of all time [Guinness world record]"},{"term":"ঢাকার নাইট ক্লাবে চলে ওপেন চাকুম চুকুম"},{"term":"যেখানে পৌঁছালে চলন্ত জাহাজ ও উড়োজাহাজ যাত্রীসহ উধাও হয়ে যায়"},{"term":"Top 50+ trusted E-commerce Websites in Bangladesh"},{"term":"How to avoid google adsense ban"},{"term":"Google adsense"},{"term":"ধর্মমন্ত্রী বার্ধক্য কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন"},{"term":"দশ হাজার বছর ধরে চলবে যে ঘড়ি"},{"term":"কলেজে কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা"},{"term":"শরীর চর্চা"},{"term":"সমার্থক শব্দ"},{"term":"বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী"},{"term":"কুকুরের মত ঘেও ঘেও করে এক আশ্চর্য মাছ"},{"term":"পল স্যামুয়েলসনের জীবনী"},{"term":"Top 10 most popular bra brands in the world"},{"term":"এক ঘণ্টায় ১৮০০ মানুষকে বুকে জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন"},{"term":"Easy ways to lose weight only 5 minute discuss."},{"term":"বিয়ে করলে কি ম্যাচিউরিটি বা পরিপক্বতা বাড়ে? কেন বা কীভাবে?"},{"term":"চাকরির বয়স ৩৫ বাড়ানোর জন্য সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত"},{"term":"পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী"},{"term":"পৃথিবীর শীর্ষ ৫ মোটা নারী"},{"term":"ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজননের বিস্তারিত আলোচনা"},{"term":"সেরা ১৫ জন বাঙালি কৌতুক অভিনেতা"},{"term":"Everybody should know before marriage or you making a big mistake."},{"term":"এইচএসসি পাসে স্বাস্থ্য অধিদফতরে ১৬৫০ জনের নিয়োগ"},{"term":"চরিত্রবান মেয়ে চেনার ১০ টি সহজ উপায়।"},{"term":"সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী"},{"term":"দেখুন বিস্ময়কর আত্মার প্রতিচ্ছবি"},{"term":"পশুপাখি নিয়ে অসাধারণ কিছু ঘটনা"},{"term":"Those who have not yet loved.They think love is very expensive."},{"term":"top bangla pages"},{"term":"খুবই গুরুত্বপূর্ণ ২০০+ সন্ধি বিচ্ছেদ"},{"term":"How much love is nest inside the chest."},{"term":"দশটি হাত এমনকি নীল তিমি যাদের প্রধান খাদ্য"},{"term":"আজব খেলা থাপ্পড় কাবাডি"},{"term":"২০২০ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা"},{"term":"৯বছরের কিশোরকে ভাগিয়ে বিয়ে করল ৪২ বছরের এক নারী"},{"term":"বয়স্ক নারীর করুণ পরিণতি"},{"term":"Biography of famous Economist Paul Anthony Samuelson."},{"term":"হাতের লেখা সুন্দর করতে আপনার করণীয়"},{"term":"ফিচার"},{"term":"অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী"},{"term":"দেশের করোনা আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ কি ??"},{"term":"প্রায় একই নামের বাংলা সাহিত্যককর্ম ও সাহিত্যিকদের নাম"},{"term":"যে দেশের নারীরা বিয়ের আগ পর্যন্ত গাছে রাত যাপন করেন।"},{"term":"কিভাবে বুঝবেন আপনার জিনের বসবাস"},{"term":"বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা"},{"term":"শাকিব খান অভিনীত"},{"term":"250+ Most Asked Questions on Google With Bangla keywords"},{"term":"আজব প্রাণী প্লাটিপাস"},{"term":"সকল সিমের প্রয়োজনীয় কোড নাম্বার জেনে নিন"},{"term":"চৌগাছার পা\u200cতি\u200cবিলা গ্রা\u200cমে ইউ\u200cপি সদস্য ঠান্ডু খুন"},{"term":"শচীন টেন্ডুলকারের জীবনী"},{"term":"হযরত ঈসা নবীর আগমনের অকাট্য প্রমাণ"},{"term":"ব্রংকিওলাইটিস"},{"term":"কোন কোন নারীদের করা উচিত"},{"term":"বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ১০০+ গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি বিচ্ছেদ"},{"term":"অণ্ডথলি"},{"term":"ভিডিও"},{"term":"কিভাবে ব্লগে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করব"},{"term":"ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।"},{"term":"Top more famous 2o toys for holidays \u0026 birthdays in the world"},{"term":"সবচেয়ে জনপ্রিয় পোস্ট"},{"term":"Tell me how will I live? In the chest"},{"term":"অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল"},{"term":"২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান"},{"term":"জাতিসংঘের  মহাসচিব এর নামের তালিকা ও কর্মজীবন"},{"term":"গুগল এডসেন্স"},{"term":"বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে"},{"term":"World longest and fattest snake"},{"term":"জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহর"},{"term":"লাল পাণ্ডা সম্পর্কে অজানা তথ্য।"},{"term":"অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ"},{"term":"জনপ্রিয় ২০ জন নারী তারকা যারা একাধিক বার স্বামী বদলেছেন"},{"term":"যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়"},{"term":"love is just a fake."},{"term":"Top 10 animals with the multiple legs."},{"term":"ব্লগার ব্লগিং"},{"term":"সমাজসেবা অধিদপ্তরে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি | DSS job circular 2022"},{"term":"প্রযুক্তির উন্নয়নে বেকারত্ব বাড়ছে"},{"term":"বিদেশ কিংবা দূর থেকে স্ত্রী বা প্রেমিকাকে বশে রাখুন"},{"term":"বিশ্ব বিখ্যাত ৫ জন চিত্রশিল্পীর জীবনী"},{"term":"Insurance: What you should know about it?"},{"term":"তারার সমুদ্র সৈকত (সমুদ্র নয় যেন তারার খেলা)"},{"term":"আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল"},{"term":"চাকুরীর পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৩৫০+ বাগধারা"},{"term":"learn english from Bangla"},{"term":"চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করার আশ্বাস দিলেন ওবায়দুল কাদের"},{"term":"বিখ্যাত ৩ জন অর্থনীতিবিদের জীবনী"},{"term":"Woman who made a Guinness book record of marrying 23 times."},{"term":"স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ ২০২০"},{"term":"I can't love anyone else. unique poem and song."},{"term":"১০ জন তারকা যারা গায়ক থেকে নায়ক ও গায়িকা থেকে নায়িকা হয়েছেন"},{"term":"ডানা থাকা সত্ত্বেও যে পাখিগুলো উড়তে পারে না"},{"term":"কম্পিউটার ও মুঠোফোনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সেটিং"},{"term":"সেরা ৮ জন তারকা দাম্পত্য জুটির প্রেমের রসায়ন"},{"term":"প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০০০০ টাকা"},{"term":"250+ The Top Internet Marketing Keywords"},{"term":"How to learn English from Bangla very fast ways Lesson-06"},{"term":"What betting sites are not on Gamstop?"},{"term":"২৫৬ বছরে ২৩ বার বিয়ে করে ২০০ সন্তানের জননী"},{"term":"সেরা ১০ জন বাংলা চলচ্চিত্র পরিচালক"},{"term":"সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার"},{"term":"The door of death \"Hades gate\""},{"term":"চাকুরির খবর"},{"term":"100+ Marketing Keywords List:The Top Keywords For Marketing"},{"term":"best products"},{"term":"এই নারীর এক পায়ের ওজন ১০০ কেজি মরণ ব্যাধি সবাই সাবধান"},{"term":"কারিন শয়তান জিন প্রত্যেক মানুষের ঘাড়ে থাকে"},{"term":"মন ভালো রাখতে আপনি যেগুলো করবেন না"},{"term":"প্রযুক্তি ব্যবহারের সতর্কতা ও আপনার করণীয়"},{"term":"শহীদী মৃত্যু কতই না সুন্দর"},{"term":"Blogging"},{"term":"পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান"},{"term":"বিভিন্ন রোগ ও প্রতিকার"},{"term":"বিশ্বের শীর্ষ ১০ ক্ষমতাধর ব্যক্তি"},{"term":"'দিন দ্য ডে' অসাধারণ এক নতুন ধাঁচের মুভি"},{"term":"How to earn money from the blog Detailed discussion"},{"term":"বাংলা গ্রামার"},{"term":"Some other types of interest from popular and star people."},{"term":"২০২১ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা"},{"term":"বিয়ের আগে প্রত্যেকের জানা উচিত নয়তো বিরাট ভুল করবেন"},{"term":"হার্ট ভালো করার ছোট দোয়া"},{"term":"বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই"},{"term":"করোনায় যে ১০ জেলার মানুষ বেশি হুমকিতে"},{"term":"জিন যেভাবে গোপনে গোপনে সুন্দরী নারীদের নষ্ট করে"},{"term":"অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য ১০ টি সহজ উপায়"},{"term":"ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী"},{"term":"গবাদি পশুর চিকিৎসা"},{"term":"গরুর মাংশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা বা করণীয়"},{"term":"গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন"},{"term":"সন্তান"},{"term":"জিন কি নারী ও পুরুষের সাথে সহবাস করে?"},{"term":"দৌলতদিয়া পতিতালয়ের অজানা কিছু তথ্য ফাঁস হল"},{"term":"Top 5 best ICO reviews site in the world."},{"term":"বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ"},{"term":"বিবাহিত জীবনে সুখে থাকার উপায়গুলো কী কী? শিক্ষা ও প্রযুক্তি"},{"term":"সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন  খাড়া থাকে কেন"},{"term":"English"},{"term":"অজানা ও রহস্যময় ঘটনা"},{"term":"শাকিব খান অভিনীত সকল জনপ্রিয় মুভির তালিকা"},{"term":"6 best small 5th wheel trailers in 2023"},{"term":"Biography and success story of Bill Gates."},{"term":"Where the soul stay after death know its mystery?"},{"term":"How can I get the best ICO service provider"},{"term":"খেলাধুলার খবর"},{"term":"বিশ্বজয় করা ৫ নিষিদ্ধ সিনেমা"},{"term":"আপনার দুই ঠ্যাং এর নিচে ঝুলে আছে ৫০ লক্ষ টাকা"},{"term":"খুবই গুরুত্বপূর্ণ ২০০+ বাংলা সমার্থক শব্দ"},{"term":"মহিলার পেটে জন্ম নিল বড় ইঁদুরের বাচ্চা"},{"term":"ঘৃণিত নারী প্রতি রাতে একটা করে স্বামী গ্রহন করতেন।"},{"term":"15 imortant things to Enable AdSense for new blog"},{"term":"What to do to practice regular exercise."},{"term":"How to earn money from YouTube Detailed discussion"},{"term":"Husband and Wife divorce for bathing twice in morning"},{"term":"১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার"},{"term":"পিত্তথলিতে পাথরের কারণ"},{"term":"কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা"},{"term":"হার্নিয়া"},{"term":"Bangla Business Keywords:Top 500 Best Bangla  Business Keywords. part-2"},{"term":"What to eat before going to sleep at night?"},{"term":"গর্ভকালীন সমস্যা"},{"term":"বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত আইন"},{"term":"মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা"},{"term":"অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যা অনেক ভক্তরা হয়তো জানেন না।"},{"term":"নিউমোনিয়া"},{"term":"Top ten best projectors under $300 dollar for you"},{"term":"how to speak english to bangla"},{"term":"গুরুত্বপূর্ণ ৫ টি বিষয়ে গোলাপের ব্যবহার"},{"term":"মহিলা জন্ম দিল হাতির বাচ্চা"},{"term":"শরীরের অবস্থা দেখে বুঝে নিন আপনার ক্যানসার আছে কিনা"},{"term":"চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি"},{"term":"চার বছর বয়সে আট ভাষা শিখে রেকর্ড গড়েছেন একটি শিশু"},{"term":"Breast Cancer Causes Symptoms Remedies"},{"term":"ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের তালিকা"},{"term":"সরকারি জব"},{"term":"কুখ্যাত ১৫ জন বাঙালি নাস্তিক কবি ও সাহিত্যিক"},{"term":"What is an ICO and How Does it Work in USA"},{"term":"10 Important questions about Google Adsense for blog"},{"term":"কেন ঘুমের মধ্যে জিন আল কাবুস আক্রমণ করে"},{"term":"The life history of pop super star Madonna."},{"term":"How to earn from Google Adsense Discuss all the details"},{"term":"Top Four Yakima Skybox Carbonite Cargo Box in the world."},{"term":"ইসলামিক তথ্য"},{"term":"বিনোদন"},{"term":"কিভাবে ব্লগে মেটা ট্যাগ ও বিবরণ বসাবেন"},{"term":"কিম জন উনের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র কোথায়?"},{"term":"জয় কে সরাসরি চুমু খেলো ঋতুপর্ণা"},{"term":"৩০ বছরের ছোট বয়সের ছেলেদের সাথে প্রেম করা যে তারকার স্বভাব।"},{"term":"বিশ্বের শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশীদের তালিকা"},{"term":"প্রতিবন্ধকতা যাদের হার মানাতে পারিনি"},{"term":"বাংলা সাহিত্য"},{"term":"বিখ্যাত ৭ জন গণিতবিদের জীবনী"},{"term":"যুগ যুগ বেঁচে থাকে যে প্রাণী"},{"term":"সন্ত্রাস কাঁপানো বাংলাদেশের ৭ টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল গোপন ফোর্স"},{"term":"২৩ বার বিয়ে করেছেন যে নারী"},{"term":"বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা যশোর"},{"term":"Causes and Remedies for Inflammation of Ovary."},{"term":"Pitholith stones causes and its remedy."},{"term":"The Woman Who Gave Birth To Rat."},{"term":"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী"},{"term":"The best 5 upcoming ICOs to invest site in 2019."},{"term":"মা মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন"},{"term":"সর্বকালের সেরা ১০ জন খলনায়ক"},{"term":"২০১৯ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা"},{"term":"Top 15 most unique and odd couples in the world."},{"term":"শিক্ষা ও প্রযুক্তি"},{"term":"We have many misconceptions about blood pressure"},{"term":"পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়"},{"term":"ব্লগে সময়"},{"term":"Top 15 best car amplifiers to buy for 2019."}],"title":{"type":"text","$t":"Top Bangla Pages"},"subtitle":{"type":"html","$t":"Top Bangla Pages বাংলাদেশের একটি অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা ওয়েবসাইট। টপ বাংলা পেজ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন ব্লগার টিপস এন্ড ট্রিকস, গুগল অ্যাডসেন্স, স্বাস্থ্য টিপস ও মেডিসিন, বাংলা গ্রামার,বাংলা সাহিত্য, ইংরেজি গ্রামার,ইংরেজি সাহিত্য,সাধারণ গণিত ও জ্যামিতি, সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী,সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী, আই,সি, টি  প্রশ্ন,মানুষিক দক্ষতা,বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী, ভিন্নরকম সত্য ঘটনা, অজানা ও রহস্যময় ঘটনা, শিক্ষা ও প্রযুক্তি, বিনোদন, খেলাধুলা, জাতীয়, আন্তর্জাতিক ইত্যাদি। "},"link":[{"rel":"http://schemas.google.com/g/2005#feed","type":"application/atom+xml","href":"https://www.topbanglapages.com/feeds/posts/default/-/%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%28%E0%A6%B8%E0%A6%83%29+%E0%A6%8F%E0%A6%B0+%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%80?alt\u003djson-in-script\u0026max-results\u003d50"},{"rel":"self","type":"application/atom+xml","href":"https://www.topbanglapages.com/feeds/posts/default/-/%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%28%E0%A6%B8%E0%A6%83%29+%E0%A6%8F%E0%A6%B0+%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%80?alt\u003djson-in-script\u0026max-results\u003d50"},{"rel":"alternate","type":"text/html","href":"http://www.topbanglapages.com/search/label/%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4%20%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%28%E0%A6%B8%E0%A6%83%29%20%E0%A6%8F%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%80"},{"rel":"hub","href":"http://pubsubhubbub.appspot.com/"}],"author":[{"name":{"$t":"Md. Sazedur Rahman"},"uri":{"$t":"https://draft.blogger.com/profile/09905616054330765172"},"email":{"$t":"noreply@blogger.com"},"gd$image":{"rel":"http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail","width":"32","height":"32","src":"//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgTYT0ZYv_I9n14nxCWkyUoQg3xPUZB6VSV7cUHCh2fdc8id9HLRwreq5pA9Wf1cTi63xfJraiLEicBgHxh3gi6DcT7KGsbEfJQDs3d3hNy_HBvHgnZU-KitzTkLdNFniY1ryNTe0bdnGuewoMrNa3lmYV2I2siVtGm2-VtIQk397o/s220/Best%20Sazedur%20Rahman.jpg"}}],"generator":{"version":"7.00","uri":"https://draft.blogger.com","$t":"Blogger"},"openSearch$totalResults":{"$t":"1"},"openSearch$startIndex":{"$t":"1"},"openSearch$itemsPerPage":{"$t":"50"},"entry":[{"id":{"$t":"tag:blogger.com,1999:blog-7469308662950623629.post-5254704058700941163"},"published":{"$t":"2018-08-02T00:09:00.002+06:00"},"updated":{"$t":"2023-05-27T00:27:42.714+06:00"},"category":[{"scheme":"http://www.blogger.com/atom/ns#","term":"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী"},{"scheme":"http://www.blogger.com/atom/ns#","term":"ইসলামের মূল ইতিহাস"},{"scheme":"http://www.blogger.com/atom/ns#","term":"বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী"}],"title":{"type":"text","$t":"    হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস।"},"content":{"type":"html","$t":"\u003cdiv dir\u003d\"ltr\" style\u003d\"text-align: left;\" trbidi\u003d\"on\"\u003e\n\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"color: #0b5394;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eহযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cb\u003eমুহাম্মদ [নং 1] (আরবী: محمد; উচ্চারিত [মুয়াম্মার]; [এন ২] সি .570 সিই -8 জুন 6২3 সিই)\u003c/b\u003e [1\u003cb\u003e]\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003e\u0026nbsp;\u003cspan\u003e\u0026nbsp;\u003c/span\u003eহযরত মুহাম্মদ(সঃ\u003cspan\u003e)\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003eইসলামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। [2] ইসলামিক মতবাদ অনুযায়ী, তিনি একজন নবী এবং আল্লাহর দূত ছিলেন, আদম, ইব্রাহীম, মূসা, ঈসা ও অন্যান্য নবীগণের দ্বারা প্রচারিত একেশ্বরবাদী শিক্ষাগুলি উপস্থাপন এবং নিশ্চিত করার জন্য পাঠানো হয়েছিল। [2] [3] [4] [5] তিনি ইসলামের সমস্ত প্রধান শাখার মধ্যে আল্লাহর চূড়ান্ত নবী হিসাবে বিবেচিত হয়, যদিও কিছু আধুনিক মূল্যবোধ এই বিশ্বাস থেকে বিচ্ছিন্ন। [3] মুহাম্মদ ইউনাইটেড আরব একমাত্র মুসলিম শাসনের সাথে কুরআনের সাথে পাশাপাশি তাঁর শিক্ষা ও পদ্ধতি প্রণয়ন ইসলামী ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nপ্রায় 570 খ্রিস্টাব্দে (এলিফ্যান্টের বছর) মক্কার আরব নগরে জন্মগ্রহণ করেন, মুহম্মদ অল্প বয়সে অনাথ হয়; তার পিতার চাচা আবু তালিব এবং আবু তালিবের স্ত্রী ফাতিমাহ বিনতে আসাদের তত্ত্বাবধানে তাকে উত্থাপিত হয়। [6] পর্যায়ক্রমে, তিনি\u0026nbsp; বিভিন্ন রাতের জন্য হিরা নামে একটি পর্বতমালা গুহায় প্রার্থনা করতেন; পরে, 40 বছর বয়সে, তিনি গুহায় জিবরাঈল পরিদর্শন করেন, [7] [8] যেখানে তিনি বলেছেন যে তিনি ঈশ্বরের কাছ থেকে তাঁর প্রথম উদ্ঘাটন পেয়েছেন। তিন বছর পরে, 610 সালে, [9] মুহাম্মদ প্রকাশ্যে এই আয়াতগুলি প্রকাশ করতে শুরু করেন। [10] \"ঈশ্বর এক\", যে ঈশ্বরকে পূর্ণ \"জমাট\" (ইসলাম) [11] সর্বোপরি কর্মের সঠিক পথ (দীনের) , [12] এবং তিনি ইসলামের অন্যান্য নবীদের মতো ঈশ্বরের একজন নবী এবং রসূল ছিলেন। [13] [14] [15]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cscript async\u003d\"\" src\u003d\"//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js\"\u003e\u003c/script\u003e\n\n\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003cins class\u003d\"adsbygoogle\" data-ad-client\u003d\"ca-pub-3160538687806148\" data-ad-format\u003d\"fluid\" data-ad-layout\u003d\"in-article\" data-ad-slot\u003d\"3590287698\" style\u003d\"display: block; text-align: center;\"\u003e\u003c/ins\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cscript\u003e\n     (adsbygoogle \u003d window.adsbygoogle || []).push({});\n\u003c/script\u003e\n\n\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহম্মদ কিছু প্রাথমিক অনুগামীদের উপাধি লাভ করেছিলেন এবং মক্কার মুশরিকদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন। চলমান নিপীড়ন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য, তিনি 615 খ্রিস্টাব্দে কিছু অনুগামীদের আবিসিনিয়ায় পাঠিয়েছিলেন, আগে এবং তার অনুসারীরা মক্কা থেকে মদীনার (পরে যথাব নামে পরিচিত) পরে 6২২ খ্রিস্টাব্দে স্থানান্তরিত হয়। এই ঘটনাটি হিজরা, ইসলামী ক্যালেন্ডারের সূচনা করে, এছাড়াও পরিচিত হিজরি ক্যালেন্ডার হিসাবে মদিনাতে মুহাম্মাদ মদিনা সংবিধানের অধীনে গোত্রসমূহকে একত্রিত করেছিলেন। ডিসেম্বর 6২9 সালে, মক্কান উপজাতির সাথে আট বছরের বিরতিহীন যুদ্ধের পর, মুহম্মদ 10,000 মুসলিম ধর্মান্তরিত সৈন্য সংগ্রহ করেন এবং মক্কার নগর আক্রমণ করেন। বিজয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মোহাম্মদ সামান্য রক্তপাতের সাথে শহরটি দখল করেন। 632 সালে, ফেয়ারওয়েল তীর্থযাত্রা থেকে ফেরার কয়েক মাস পরে, তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান । তার মৃত্যুর পর আরবীয় উপদ্বীপের অধিকাংশই ইসলাম গ্রহণ করেছিল। [16] [17]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\nআয়াতসমূহে বলা হয়েছে, \"মুহাম্মাদ (আঃ)\" তাঁর মৃত্যুর পর পর্যন্ত সাক্ষ্য প্রদান করেছেন, যা কুরআনের আয়াতগুলোকে বর্ণনা করে, যা মুসলমানদেরকে \"আল্লাহ্ কালাম\" শব্দটি বলে এবং যেটি সম্পর্কে ধর্ম ভিত্তি করে. কুরআন ছাড়াও হাদীস ও সীরা (জীবনী) সাহিত্যে পাওয়া মুহাম্মদের শিক্ষা ও চর্চা (সুন্নাহ), এছাড়াও ইসলামী আইন (শারিয়া দেখুন) এর উত্থান হিসাবে ব্যবহৃত হয়।\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003ca href\u003d\"https://2.bp.blogspot.com/-1eSB7qe5hS4/W2H9ZhNyG1I/AAAAAAAAAM4/ZKT5X9eyISw_56PrQclvjKV1_mQklKkmwCLcBGAs/s1600/images%2B%25282%2529.jpg\" style\u003d\"margin-left: 1em; margin-right: 1em;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cimg alt\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" border\u003d\"0\" data-original-height\u003d\"141\" data-original-width\u003d\"357\" height\u003d\"251\" src\u003d\"https://2.bp.blogspot.com/-1eSB7qe5hS4/W2H9ZhNyG1I/AAAAAAAAAM4/ZKT5X9eyISw_56PrQclvjKV1_mQklKkmwCLcBGAs/s640/images%2B%25282%2529.jpg\" title\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" width\u003d\"640\" /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/a\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #0b5394;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\n\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ:\u0026nbsp;\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমুহাম্মদ এর নাম এবং শিরোনামঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/div\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003eমুহাম্মদ অর্থ\"প্রশংসিত\" মানে এবং কোরানে চারবার প্রদর্শিত হয়। [19] কুরআন বিভিন্ন উপাধি দ্বারা দ্বিতীয় ব্যক্তির মধ্যে মুহাম্মদ মোহাম্মদ; রাসূল (সাঃ), রাসূল (রসূল), কুরআন মজীদ (আবদ), ঘোষক (বাশির), (কোরআন ২: 119) সাক্ষী (শাহিদ), (কুরআন 33:45) সুসংবাদদাতা (মুবারক), সতর্ককারী (নাথির), কুরআন 11 : 2] স্মরণ করান (মুদাক্কির), [কোরান 88:২1] যে ব্যক্তি [আল্লাহ ]কে ডাকে, (কুরআন 1২: 108) হালকা ব্যক্তিত্ব (নূর), কুরআন 05:15 এবং আলোকে (কুরআন 33:46) মুহম্মদকে কখনও কখনও রাষ্ট্রের পদে পদে পদে পদে আহ্বান করা হয়: এভাবে তাঁকে কুরআন মাজেফ (আল-মুজ্জাম্মিল) হিসাবে বর্ণনা করা হয় 73: 1 এবং শাফায়াত (আল-মুদতথির) কুরআন 74: 1। [২0] সূরা আল-আহযাবের 33:40 হযরত মুহাম্মদ (সা।) 'নবীগণের সীলমোহর' বা শেষ নবীগণের মতো এক। কুরআনও মুহাম্মাদকে আব্দুর রহমানকে \"আরো প্রশংসনীয়\" বলে উল্লেখ করে (আরবী: أحمد, সূরা আস-সাইফ 61: 6)। [22]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\nনাম আবু আল কাসিম মুহাম্মাদ ইবনে আবদ আলা ইবনে আবদুল মুয়ালিব ইবনে হাশম, [২3] কুঞ্জের সাথে শুরু হয় [২4] আবু, যা ইংরেজী, পিতার সাথে সম্পর্কিত। [২5]\u003cbr /\u003e\n\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003cspan style\u003d\"font-size: medium;\"\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv dir\u003d\"ltr\" style\u003d\"text-align: left;\" trbidi\u003d\"on\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-size: medium;\"\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003eপ্রারম্ভিক জীবনী\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003e\u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp; \u0026nbsp;\u0026nbsp;\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: নবীর জীবনীঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহম্মদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলি মুসলিম যুগের ২ য় এবং তৃতীয় শতকের লেখকগণ (এএইচ -8 ষ্ঠ ও 9 ম শতাব্দীর সিই) -এর ঐতিহাসিক কাজের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। [31] এই মুহাম্মদ এর ঐতিহ্যগত মুসলিম জীবনী অন্তর্ভুক্ত, যা মুহাম্মদ এর জীবন সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান। [32]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\nইবনে ইসহাকের লাইফ অফ গডেস অফ মেসেঞ্জার লিখিত চিঠি সদ্যকার জীবিত লিখিত সীরা (তাঁর জীবনী ও মুহুর্তের উদ্ধৃতি)। 767 সিই (150 হিজরী) কাজটি হারিয়ে গেলেও, এই সীরাটি ইবনে হিশমের দ্বারা বৃহত্তর দৈর্ঘ্যে এবং আল-তাবারির চেয়ে কম পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। [33] [34] যাইহোক, ইবনে হিশাম মুহাম্মদ এর জীবনী এ প্রেক্ষাপটে স্বীকার করেন যে তিনি ইবনে ইসহাক এর জীবনী থেকে বিষয় বাদ যে \"কিছু মানুষ কষ্ট হবে\"। [35] আরেকটি প্রাথমিক ইতিহাস উৎস হল আল-ওয়াকিদী (মুসলিম যুগের মৃত্যু ২07) এবং তার সেক্রেটারি ইবনে সা'দ আল-বাগদাদী (মৃত্যু ২30 জন মুসলমান যুগের) দ্বারা মুহাম্মদের প্রচেষ্টার ইতিহাস। [31]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\nঅনেক পন্ডিত এই প্রারম্ভিক জীবনচরিতগুলি খাঁটি হিসাবে স্বীকার করে, যদিও তাদের সঠিকতা অযৌক্তিক। [33] সাম্প্রতিক গবেষণায় পণ্ডিতদের আইনী বিষয় এবং বিশুদ্ধরূপে ঐতিহাসিক ঘটনা স্পর্শ ঐতিহ্যের মধ্যে পার্থক্য নেতৃত্বে হয়েছে। আইনী গোষ্ঠীতে, ঐতিহ্যগুলি আবিষ্কারের বিষয় হতে পারে তবে ঐতিহাসিক ঘটনাগুলি ব্যতিক্রমধর্মী ক্ষেত্রে বাদে \"প্রযোজ্য আকৃতির\" হতে পারে।\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: হাদীসঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nঅন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস হাদিস সংগ্রহ অন্তর্ভুক্ত, মৌখিক এবং শারীরিক শিক্ষা এবং মুহাম্মদ এর ঐতিহ্যের অ্যাকাউন্ট। হাদীসে হযরত মুহাম্মদ আল-বুখারী, মুসলিম ইবনে আলহাজজ, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াশা-তিরমিযী, আব্দ আরে-রহমান আল নাসাই, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মালেক ইবনে আনাস, আল-দারকুতনি সহ অনুসারীগণের মৃত্যুর পর কয়েকটি প্রজন্মের সংকলন করা হয়েছিল। । [37] [38]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\nকিছু পশ্চিমা শিক্ষাবিদ সাবধানে হাদিস সংগ্রহকে যথাযথ ঐতিহাসিক উৎস হিসেবে দেখে। [37] যেমন Madelung মত পণ্ডিতদের পরে কালের মধ্যে সংকলিত হয়েছে যা narrations প্রত্যাখ্যান, কিন্তু ইতিহাসের প্রসঙ্গে এবং ঘটনা এবং পরিসংখ্যান সঙ্গে তাদের সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে তাদের বিচার। [39] অন্যদিকে মুসলিম পন্ডিত সাধারণত জীবনী সাহিত্যের পরিবর্তে হাদিস সাহিত্যের উপর অধিক গুরুত্ব দেয়, যেহেতু হাদিস সংক্রমণ (ইসনাদের) একটি যাচাইযোগ্য চেইন বজায় রেখেছে; জীববিজ্ঞানী সাহিত্যের জন্য এমন একটি শৃঙ্খলের অভাব তাদের চোখে এটি কম যাচাইযোগ্য করে তোলে। [40]\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eপ্রাক ইসলামী আরবঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cb\u003eপ্রধান নিবন্ধ: প্রাক-ইসলামী আরব, জাহেলিয়া এবং পূর্ব-ইসলামী আরবের ধর্ম\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003cbr /\u003e\nমুহম্মদ এর জীবদ্দশায় প্রধান উপজাতি এবং আরবের বসতি\u003cbr /\u003e\nআরব উপদ্বীপ মূলত শুষ্ক ও আগ্নেয়গিরির মতো ছিল, যা নিকটবর্তী ওসেস বা স্প্রিংস ছাড়া কৃষিকে কঠিন করে তোলে। আড়াআড়ি শহর এবং শহরগুলির সাথে চিহ্নিত করা হয়েছিল; মক্কা ও মদিনার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটি মদিনা একটি বিশাল সমৃদ্ধ কৃষক বিবাদ ছিল, যখন মক্কা বহু পার্শ্ববর্তী উপজাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কেন্দ্র ছিল। [41] মরুভূমিতে বেঁচে থাকার জন্য সাম্প্রদায়িক জীবন অপরিহার্য, কঠোর পরিবেশ ও জীবনধারার বিরুদ্ধে আদিবাসী উপজাতিদের সমর্থন করে। ঐতিহ্যগত সম্পর্ক, আত্মীয়তা বা গোষ্ঠীগুলির উপর ভিত্তি করে, সামাজিক সংহতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস ছিল। [42] আদিবাসী আরবরা ভ্রাম্যমাণ বা বিচ্ছিন্নতাবাদী ছিল, পূর্বে এক জায়গায় অন্যত্র ভ্রমণ করে তাদের মেষপালের জন্য পানি ও চারণভূমি খোঁজার চেষ্টা করছিল, যখন পরেররা বাণিজ্য ও কৃষি বিষয়ে স্থিরীকৃত এবং দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। [43] [44]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\nপ্রাক ইসলামী আরবে, দেব-দেবীদেরকে পৃথক উপজাতিদের রক্ষাকবচ হিসেবে দেখা হয়, তাদের প্রফুল্লতা পবিত্র গাছ, পাথর, স্প্রিং এবং কুণ্ডগুলির সাথে যুক্ত হয়। পাশাপাশি বার্ষিক তীর্থযাত্রার স্থান হিসাবে, মক্কা মধ্যে কাবা তীর্থযাত্রী আদিবাসী পৃষ্ঠপোষক দেবতাদের 360 মূর্তি রাখে। তিনটি দেবতা তাঁর কন্যা হিসেবে আল্লাহর সাথে সংযুক্ত ছিলেন: আল্ল, মানত ও আল-উজ্জায। খ্রিস্টান এবং ইহুদি সহ একেশ্বরবাদী সম্প্রদায় আরবে বিদ্যমান ছিল। [45] হানিফস - দেশীয় প্রাক-ইসলামী আরব যারা \"একটি কঠোর একেশ্বরবাদ বলে দাবি করেন\" [46] - কয়েকবার ইহুদী ও খ্রিস্টানদের সাথে পূর্ব-ইসলামী আরবের সাথে তালিকাভুক্ত করা হলেও তাদের ঐতিহাসিকতা পণ্ডিতদের মধ্যে বিতর্কিত। [47] [48] মুসলিম ঐতিহ্য অনুযায়ী, মুহাম্মদ নিজে হানিফ ছিলেন এবং ইব্রাহিমের পুত্র ইসমাইলের বংশধর ছিলেন। [49]\u003cbr /\u003e\n\u003cscript async\u003d\"\" src\u003d\"//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js\"\u003e\u003c/script\u003e\n\n\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003cins class\u003d\"adsbygoogle\" data-ad-client\u003d\"ca-pub-3160538687806148\" data-ad-format\u003d\"fluid\" data-ad-layout\u003d\"in-article\" data-ad-slot\u003d\"3590287698\" style\u003d\"display: block; text-align: center;\"\u003e\u003c/ins\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cscript\u003e\n     (adsbygoogle \u003d window.adsbygoogle || []).push({});\n\u003c/script\u003e\n\nষোড়শ শতকের দ্বিতীয়ার্ধটি আরবের রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল এবং যোগাযোগের পথ আর নিরাপদ ছিল না। [50] ধর্মীয় বিভাগগুলি সঙ্কটের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল। [51] ইয়েমেনের ইহুদীধর্ম প্রভাবশালী ধর্ম হয়ে উঠেছিল, যখন খ্রিস্টধর্ম ফার্সি উপসাগরীয় অঞ্চলে জড়িয়ে পড়েছিল। [51] প্রাচীন বিশ্বের বিস্তৃত প্রবণতা অনুসারে, এই অঞ্চলে বহুবিশ্বসম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুশাসন এবং একটি ধর্মের আরো আধ্যাত্মিক আকারে ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রবণতা দেখা দেয়। [51] যদিও অনেকে বিদেশী বিশ্বাসে রূপান্তরিত করতে অনিচ্ছুক ছিলেন, তবুও ঐসব ধর্মগুলি বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক রেফারেন্স পয়েন্ট প্রদান করেছিল। [51]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\nমুহম্মদ এর জীবনের প্রথম বছরগুলির সময়, কোরাইশ উপজাতি তিনি পশ্চিম আরবের একজন প্রভাবশালী বাহিনী হয়েছিলেন। [52] তারা হমসের ধর্মীয় গোষ্ঠী গঠন করেছিল, যা পশ্চিমা আরবের অনেক উপজাতির সদস্যকে কাবা থেকে বাঁচিয়েছিল এবং মক্কান আশ্রয়স্থলটির সম্মানকে শক্তিশালী করেছিল। [53] অরাজকতার প্রভাব মোকাবেলায় কুরাইশ পবিত্র মাসগুলিতে যে সমস্ত সহিংসতা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তা সমর্থন করে এবং তীর্থযাত্রী এবং মেলাগুলিতে বিপদ ছাড়া অংশগ্রহণ করা সম্ভব ছিল। [53] এইভাবে, যদিও হামস গোষ্ঠী প্রাথমিকভাবে ধর্মীয় ছিল, তবে শহরটির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিণতি ছিল। [53]\u003cbr /\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমহানবীর জন্ম ও শৈশব এবং প্রাথমিক জীবনঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমহানবী\u0026nbsp; 570 [7] জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর জন্মদিনটি রবি 'আল-আউয়াল মাসে বলে মনে করা হয়। [54] তিনি বনু হাশেম গোত্রের অন্তর্গত ছিলেন, কুরাইশ গোত্রের অংশ এবং মক্কার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলেন, যদিও মুহাম্মদ এর প্রাথমিক জীবনকালের সময় এটি কম সমৃদ্ধ মনে হয়। [15] [55] ঐতিহ্যটি মুহম্মদ এর জন্ম বছর হিসাবে এলিফ্যান্ট বছরের সাথে সম্পর্কযুক্ত, যা মক্কা যে অবিবাহিত ইয়েমেনের রাজা দ্বারা যে বছরের ব্যর্থ ধ্বংস, যার হাতি তার সেনাবাহিনীকে সমর্থন করে। [56] [57] [58] বিকল্পভাবে ২0 তম শতাষ্ফীর পণ্ডিতরা বিভিন্ন বছর যেমন 568 বা 569 নির্দেশ করেছে। [59]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nরশিদ-আল-দিনা হামাদানী এর জামি আল-তাওয়েরখ, সি থেকে ক্ষুদ্রতর। 1315, 605 সালে ব্ল্যাক স্টোন পুনঃনির্ধারণের ক্ষেত্রে মুহাম্মদের ভূমিকাকে বর্ণনা করেছেন। (ইলখানের সময়কাল) [60]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহাম্মদ এর পিতা, আবদুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন প্রায় ছয় মাস আগে মারা যান। [61] ইসলামিক ঐতিহ্য অনুযায়ী, জন্মের অল্প পরেই তিনি মরুভূমিতে বেদুঈন পরিবারে বসবাসের জন্য প্রেরণ করেন, কারণ মরুভূমির জীবন শিরায় শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়; কিছু পশ্চিমা পণ্ডিত এই ঐতিহ্যগত ঐতিহাসিকতাকে অস্বীকার করে। [62] মুহাম্মদ তার সহকর্মী মা, হালিমা বিনতে আবি ধুয়েব এবং তার স্বামীের সাথে থাকতেন যতদিন পর্যন্ত তিনি দুই বছর বয়স পর্যন্ত ছিলেন না। ছয় বছর বয়সে মুহাম্মদ তার জৈবিক মা আমিনকে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং অনাথ হয়েছিলেন। [62] [63] পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত, আট বছর বয়স পর্যন্ত, মুহম্মদ তার মৃত্যুর আগে বানু হাশিম গোত্রের তার পিতামহ আবদুল-মুত্তালিবের অভিভাবকত্বের অধীনে ছিলেন। তারপর তিনি বনু হাশেমের নতুন নেতা, তার চাচা আবু তালিবের তত্ত্বাবধানে এসেছিলেন। [59] ইসলামী ইতিহাসবিদ উইলিয়াম মন্টগোমেরি ওয়াটের মতে 6 ম শতাব্দীতে মক্কা উপজাতিদের দুর্বল সদস্যের তত্ত্বাবধানে অভিভাবকরা একটি সাধারণ অবজ্ঞা ছিল \"মুহাম্মদের অভিভাবকরা দেখেছিলেন যে তিনি মৃত্যুতে উপবাস করেন নি, তবে তাদের জন্য এটি কঠিন ছিল তার জন্য, বিশেষ করে হাশেমের বংশের ভাগ্য যে সময়ে হ্রাস পেয়েছিল বলে মনে হয়। \"[64]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nতার তেরো বছরের মধ্যে, বাণিজ্যিক বাণিজ্য সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য মুহম্মদ সিরিয়ার ব্যবসায়িক যাত্রার সাথে তার চাচা নিয়ে এসেছিলেন। [64] ইসলামী ঐতিহ্য বলে যে মুহাম্মদ যখন নবম বা বারোজন ছিলেন তখন সিরিয়ায় মক্কা সৈন্যবাহিনী নিয়ে আসেন, তখন তিনি একজন খৃষ্টান সন্ন্যাসী বা বাহিনীকে পরিচয় করিয়েছিলেন যার নাম মোহাম্মদের আল্লাহর নবী হিসেবে।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nসাম্প্রতিক মুহুর্তে মুহম্মদ এর যুগে আবিষ্কৃত হয়, উপলব্ধ তথ্য বিভক্ত, যা কিংবদন্তি থেকে ইতিহাসকে আলাদা করা কঠিন করে তোলে। [64] এটা জানা যায় যে তিনি একজন ব্যবসায়ী হয়ে ওঠে এবং \"ভারতীয় মহাসাগরের ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যকার বাণিজ্যের মধ্যে সম্পৃক্ত ছিলেন।\" [66] তাঁর সতীকৃত চরিত্রের কারণে তিনি উপনাম \"আল-আমিন\" (আরবি: الامين) অর্জন করেছেন, যার অর্থ \"বিশ্বস্ত , বিশ্বাসযোগ্য \"এবং\" আল-সাদিক \"অর্থ\" সত্যবাদী \"[67] এবং একটি নিরপেক্ষ সালিসের মতামত চাওয়া হয়েছিল। [8] [15] [68] তার খ্যাতি Khadijah থেকে একটি 595 একটি প্রস্তাব আকৃষ্ট, একটি 40 বছর বয়েসী বিধবা মুহাম্মদ বিয়ে অনুমোদন, যা দ্বারা সব অ্যাকাউন্ট একটি সুখী এক ছিল।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nকয়েক বছর পরে, ইতিহাসবিদ ইবনে ইসহাক দ্বারা সংগৃহীত একটি বর্ণনা অনুযায়ী, 605 খ্রিস্টাব্দে কাবা দেয়ালের দেওয়ালে ব্ল্যাক স্টোন স্থাপন সম্পর্কে একটি সুপরিচিত গল্পের সাথে মুহম্মদ জড়িত ছিলেন। কালো পাথর, একটি পবিত্র বস্তু, Kaaba যাও সংস্কারের সময় সরানো হয়েছে। মক্কার নেতারা সম্মত হতে পারেননি কোন বংশটি ব্ল্যাক স্টোনকে তার জায়গায় ফিরিয়ে আনবে। তারা এই সিদ্ধান্তটি করার জন্য দরজায় প্রবেশ করে পরের লোককে জিজ্ঞাসা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; যে ব্যক্তি ছিল 35 বছর বয়সী মুহাম্মদ জিবরাঈল তাঁর প্রথম প্রকাশের পাঁচ বছর আগে এই ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি একটি কাপড় জন্য জিজ্ঞাসা এবং তার কেন্দ্র মধ্যে ব্ল্যাক পাথর স্থাপিত। গোত্রের নেতারা কাপড়ের কোণগুলি রাখতেন এবং একসঙ্গে ব্লাক স্টোনকে সঠিক স্থানে নিয়ে যান, তারপর মুহম্মদ পাথরটি রাখতেন, সবাইকে সন্তুষ্ট করতেন।\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/b\u003e\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003eকুরআনের সূচনাঃ\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb\u003e\u003cspan\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eআরও দেখুন: মুহাম্মদ এর প্রথম উদ্ঘাটন, কোরান ইতিহাস\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nপাহাড়ের গুহায় হীরা যেখানে জব্বল আল-নূর ছিলেন মুসলিম বিশ্বাস অনুসারে মুহাম্মদ তার প্রথম প্রকাশ পেয়েছেন।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহম্মদ মক্কা কাছাকাছি জাবাল আল নূর , হিরা নামক একটি গুহা প্রতি\u0026nbsp; সপ্তাহের জন্য প্রার্থনা শুরু করেন। [71] [72] ইসলামী ঐতিহ্যটি ধারণ করে যে, গুহায় তাঁর এক ভ্রমণের সময় 610 খ্রিস্টাব্দে ফেরেশতা জিবরাঈল তাঁর কাছে হাজির হন এবং মুহাম্মাদকে কুরআনের অন্তর্ভুক্ত আয়াত শোনাতে আদেশ দেন। [73] ঐক্যমত বিদ্যমান যে প্রথম কুরআনের শব্দের উদ্ঘাটিত সূরা 96: 1 সূচনা হয়েছিল। [74] মুহম্মদ তার প্রথম উদ্ঘাটিত প্রাপ্তির উপর গভীরভাবে বিরক্ত ছিল। বাড়িতে ফিরে আসার পর, খাদিজা ও তার খৃস্টান চাচাতো ভাই ওয়ারাক ইবনে নাফালের সাহায্যে মুহাম্মদকে সান্ত্বনা দেওয়া হয়েছিল। [75] তিনি ভয় করতেন যে অন্যেরা তার দাবীকে দখল করে নেবে। [44] শিয়া প্রথাঃ মুহাম্মাদ জিবরাঈলের চেহারাতে বিস্মিত বা ভীত ছিলেন না; বরং তিনি স্বর্গদূতকে স্বাগত জানিয়েছিলেন, যেমন তিনি আশা করেছিলেন। [76] প্রাথমিক উদ্ঘাটন তিন বছর বিরতি (একটি ফতোয়া হিসাবে পরিচিত সময়কাল) দ্বারা অনুসরণ করা হয়, যার সময়ে মুহম্মদ হতাশ হয়ে পড়েছিলেন এবং আরও প্রার্থনা এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলনের জন্য নিজেকে দিয়েছেন। [74] যখন উদ্ঘাটন পুনরায় আরম্ভ করা হয় তখন তাকে আশ্বস্ত করা হয় এবং প্রচার শুরু করার হুকুম দেয়া হয়: \"আপনার প্রভু-প্রভু আপনাকে ত্যাগ করেননি এবং তিনি অসন্তুষ্ট হন নি।\" [77] [78] [79]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহাম্মাদ ফেরেশতা জিবরাঈল থেকে তার প্রথম উদ্ঘাটিত প্রাপ্তি রশীদ-আল-দিনা হামাদানি, 1307, ইলহাননাত যুগ দ্বারা পাণ্ডুলিপি জামি আল-তাওরিখ থেকে।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nসহীহ বুখারী বর্ণনা করেন মুহাম্মদ তার আয়াতসমূহ বর্ণনা করেন \"কখনও কখনও এটি (প্রকাশ) একটি ঘণ্টা এর ringing মত\"। Aisha রিপোর্ট, \"আমি নবী একটি খুব ঠান্ডা দিন\u0026nbsp; অনুপ্রাণিত দেখেছি এবং তার কপাল থেকে ঘাম ড্রপ লক্ষ্য (যেমন অনুপ্রেরণা ছিল)\"। [80] ওয়েল্ফের মতে এই বিবরণগুলি প্রকৃত বিবেচিত হতে পারে, যেহেতু তারা মুসলমানদের দ্বারা জালিয়াতি করা অসম্ভব। [15] মুহাম্মদ আস্থাশীল ছিলেন যে তিনি এই বার্তাগুলি থেকে নিজের চিন্তাকে আলাদা করতে পারতেন। [81] কুরআনের মতে মুহাম্মদের প্রধান ভূমিকাগুলির একটি হল তাদের আধ্যাত্মিক শাস্তি (কুরআন 38:70, কুরআন 6:19) এর অবিশ্বাসীদের সতর্ক করা। মাঝে মাঝে কুরআন স্পষ্টভাবে বিচারের দিনে উল্লেখ করে নি, তবে বিলুপ্ত সম্প্রদায়ের ইতিহাস থেকে উদাহরণ প্রদান করে এবং অনুরূপ বিপর্যয়ের মুহাম্মদের সমসাময়িকদের (কুরআন 41: 13-16) সতর্ক করে। [20] মুহাম্মাদ কেবল তাদেরকেই সতর্ক করে দেননি, যারা আল্লাহর নিগূঢ়তত্ত্বকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, কিন্তু যারা মন্দ পরিত্যাগ করেছিল তাদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছে, ঐশী শব্দের কথা শুনছে এবং ঈশ্বরের সেবা করছে। [82] মুহাম্মদ এর মিশন এছাড়াও একেশ্বরবাদ প্রচারের জড়িত: কোরান মুহাম্মদ তার পালনকর্তার নাম ঘোষণা এবং প্রশংসা এবং তাকে দেবতা পূজা বা ঈশ্বরের সঙ্গে অন্যান্য দেবতা সংযুক্ত না তাকে নির্দেশ দেয়। [20]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nআপনার পালনকর্তার নাম স্মরণ করুন যিনি সৃষ্টি করেছেন - মানুষকে একটি চটকদার পদার্থ থেকে তৈরি করেছেন। অনুকরণ করো, আর তোমার পালনকর্তা সবচেয়ে দয়ালু। যিনি কলম দ্বারা শিখিয়েছেন তিনি এমন লোককে শেখাচ্ছেন যা সে জানত না।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n\"\"\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n- কুরআন (96: 1-5)\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nপ্রাথমিক কুরআনের আয়াতসমূহের মূল বিষয়গুলি মানুষকে তার সৃষ্টিকর্তার প্রতি দায়িত্ব প্রদান করে; মৃতদের পুনরুত্থান, ঈশ্বরের চূড়ান্ত রায়, নরকে এবং পরমদেশে আনন্দে নির্যাতনের সুস্পষ্ট বর্ণনা এবং জীবনের সব দিকের মধ্যে ঈশ্বরের লক্ষণগুলির অনুসরণ করে। এই সময়ে বিশ্বাসীদের প্রয়োজন ধর্মীয় কর্তব্য ছিল: ঈশ্বর বিশ্বাস, পাপ ক্ষমা চাইতে, ঘন ঘন প্রার্থনা, অন্যদের বিশেষ করে যারা প্রয়োজন সাহায্য, প্রতারণার এবং সম্পদ প্রেম (বাণিজ্যিক জীবনের উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা মক্কা), পবিত্রতা অর্জন করে এবং মেয়েদের বাচ্চা মেয়েকে হত্যা করে না। [15]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\n\u003cspan style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"font-size: medium;\"\u003eমক্কাবাসীদের দ্বারা মুসলমানদের নিপীড়ন এবং আবিসিনিয়ায় অভিবাসন:\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: justify;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: left;\"\u003eসূরা আন-নাজম থেকে শেষ আয়াতে: \"অতএব, আল্লাহকে এবং তাঁর এবাদত কর।\" একেশ্বরবাদ এর মুহাম্মদ এর বার্তা ঐতিহ্যগত ক্রম চ্যালেঞ্জ।\u003c/span\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: left;\"\u003eমুসলিম ঐতিহ্যের কথা অনুযায়ী, মুহাম্মদ এর স্ত্রী খাদিজা ছিলেন একজন নবী ছিলেন। [83] মুহম্মদ এর দশ বছর বয়সী চাচাত ভাই আলী ইবনে আবি তালিব, ঘনিষ্ঠ বন্ধু আবু বকর এবং পুত্র জায়েদ গ্রহণ করেন। [83] প্রায় 613 জন, মুহম্মদ (কুরআন ২6: ২14) জনসাধারণের কাছে প্রচার করতে শুরু করেন। [10] [84] অধিকাংশ মক্কার তাদের উপেক্ষা করে এবং উপহাস করে, যদিও কয়েকজন তার অনুসারী হয়ে ওঠে। ইসলামের প্রাথমিক প্রচেষ্টার তিনটি প্রধান দল ছিলঃ ছোট ভাই এবং মহান বণিকদের সন্তান; যারা তাদের গোত্রের প্রথম পদে নিযুক্ত হয়ে পড়েছে বা তা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে; এবং দুর্বল, বেশিরভাগই অরক্ষিত বিদেশী। [85]\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nইবনে সাদের মতে, মক্কায় বিরোধীরা যখন মুহম্মদকে মক্কার পূর্বপুরুষদের দ্বারা মূর্তি পূজা ও শিরকবাদকে নিন্দা জানিয়েছিল তখন তা প্রকাশ পায়। [86] যাইহোক, কোরআন শরীফ বজায় রাখে যে মুহম্মদ যখন প্রচার শুরু করে তখন এটি শুরু হয়। [87] তাঁর অনুগামীদের বৃদ্ধি পাওয়ার পর মুহম্মদ নগরীর স্থানীয় উপজাতি ও শাসকদের হুমকি হয়ে ওঠে, যার সম্পদ কাবাবের উপর নির্ভর করে, মক্কার ধর্মীয় জীবনের ফোকাল পয়েন্ট যে মুহাম্মদকে উৎখাত করার হুমকি দেয়। মক্কার ঐতিহ্যগত ধর্মের মুহাম্মদের নিন্দা বিশেষ করে আপন গোত্র, কুরাইশদের জন্য আপত্তিকর ছিল, যেহেতু তারা কাওয়াদের অভিভাবক ছিলেন। [85] ক্ষমতাবান বণিকরা মুহাম্মদকে তার ধর্ম প্রচারের জন্য সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেছিল; তিনি বণিকদের অভ্যন্তরীণ বৃত্ত, এবং পাশাপাশি একটি সুবিধাজনক বিবাহের ভর্তি দেওয়া প্রস্তাবিত। তিনি এই অফারগুলি অস্বীকার করেন। [85]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nআমরা কি তাঁর জন্য দু'টি চোখ সৃষ্টি করিনি? এবং একটি জিভ এবং দুটি ঠোঁট? এবং তাকে দুটি উপায় দেখিয়েছেন? কিন্তু তিনি কঠিন পাস মাধ্যমে ভাঙ্গা না। এবং কি আপনি কঠিন পাস কি করতে পারেন? এটি একটি ক্রীতদাস মুক্ত করা হয়। অথবা তীব্র ক্ষুধার দিনে খাওয়ানো; নিকট সম্পর্কের একটি অনাথ, বা দুর্ভোগের একটি অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি। এবং তারপর যারা বিশ্বাসী এবং একে অপরকে ধৈর্য উপদেশ এবং একে অপরের প্রতি দয়া করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে মধ্যে হচ্ছে।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n\"\"\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n- কুরআন (90: 8-17)\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nপ্রচলিত রীতি মুহাম্মদের এবং তার অনুসারীদের প্রতি কঠোর পরিশ্রম ও নির্যাতন। [15] সুমাইয়া বিনত খাইয়াত, একজন বিশিষ্ট মক্কা নেতা আবু জেহেলের একজন দাস, ইসলামের প্রথম শহীদ হিসাবে বিখ্যাত; তার মনিবকে বর্শার সাথে হত্যা করে যখন সে তার বিশ্বাসকে ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিল উমাইয়া ইবনে খালাফ কর্তৃক অন্য মুসলিম ক্রীতদাসের বিলাশকে নির্যাতন করা হয়, যিনি তার রূপান্তরকে বাধ্য করার জন্য তার বুকের উপর একটি ভারী শিলা স্থাপন করেছিলেন। [88] [89]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n615 খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ এর কিছু অনুসারীরা আকসামের ইথিওপীয় রাজত্বে চলে যান এবং খ্রিস্টীয় ইথিওপীয় সম্রাট আনাম ইবনে আবজারের অধীনে একটি ছোট কলোনি প্রতিষ্ঠা করেন। [15] ইবনে Sa'ad দুটি পৃথক migrations উল্লেখ করে। তাঁর মতে, অধিকাংশ মুসলমান হিজড়ার পূর্বে মক্কা থেকে ফিরে এসেছিলেন, যখন দ্বিতীয় গোষ্ঠী মদিনাতে তাদের পুনরায় যোগ দিয়েছিল। ইবনে হিশাম ও তাবারী, তবে ইথিওপিয়াতে এক অভিবাসনের কথা বলে। এই খবরাখবর মেনে নিচ্ছেন যে মক্কাবাসের নিপীড়ন মু'মাদের সিদ্ধান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল যে, তার অনুসারীরা বেশ কয়েকজন আবিসিনিয়াতে খ্রিস্টানদের আশ্রয় লাভ করেছিল। আল-তাবরীতে সংরক্ষিত উরওয়ার বিখ্যাত চিঠির মতে, অধিকাংশ মুসলিম তাদের স্থানীয় শহরে ফিরে আসেন কারণ ইসলাম শক্তি অর্জন করে এবং উমর ও হামজাহের মত উচ্চমানের মক্কার। [90]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nযাইহোক, মুসলমানদের ইথিওপিয়া থেকে মক্কা থেকে ফিরে আসার কারণেই একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন গল্প রয়েছে। এই একাউন্ট অনুযায়ী- প্রথমে আল ওয়াকিদী দ্বারা ইবনে সাদ ও তাবারী দ্বারা পুনরায় উল্লিখিত, কিন্তু ইবনে হিশামের দ্বারা নয় বরং ইবনে ইসহাক [9 1] -মউহমাদ নয়, তাঁর গোত্রের সাথে বাসস্থানের আশায় আশাবাদী, একটি কবিতা প্রকাশ করে তিন মক্কা দেবীর অস্তিত্ব আল্লাহ্র কন্যা বলে গণ্য। মুহাম্মাদ গাব্রিয়েল এর আদেশে পরের দিন আয়াত প্রত্যাহার, দাবী শয়তান দ্বারা whispered ছিল যে নিজেকে দাবি করে। পরিবর্তে, এই দেবতাদের একটি উপহাস দেওয়া হয়। [9২] [4] [5] এই পর্বটি, \"দ্য স্টার অফ দ্য ক্রেনস\" নামেও পরিচিত, \"শটকীয় আয়াত\" নামেও পরিচিত। গল্প অনুযায়ী, এই মুহম্মদ এবং মক্কাবাসীদের মধ্যে একটি সাধারণ পুনর্মিলন নেতৃত্বে, এবং Abyssinia মুসলমানদের বাড়িতে ফিরে শুরু করেন। যখন তারা গাব্রিয়েল এসেছিলেন মুহাম্মদকে জানিয়েছিলেন যে দুটি আয়াত প্রকাশনার অংশ ছিল না, কিন্তু শয়তানের দ্বারা সন্নিবেশ করা হয়েছিল। [9 3] [9 4] [6] আল-ওয়াকিদীকে ইসলামী পণ্ডিতদের দ্বারা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয় যেমন মালিক ইবনে আনাস, আল-শাফী ' আমি, আহমদ ইবনে হাম্বল, আল নাসায়ী, আল বুখারী, আবু দাউদ, আল-নওয়াবী এবং অন্যান্যরা মিথ্যাবাদী ও ফাগী। [95] [96] [97] [98] পরবর্তীতে, এই ঘটনার কিছু গোষ্ঠীগুলির মধ্যে কিছু স্বীকৃতি পেয়েছে, যদিও ত্রৈমাসিক শতকের অতীত অগ্রগতির উপর তার দৃঢ় আপত্তি চলছে। এই আয়াত প্রত্যাখ্যান পর্যন্ত আপত্তি অব্যাহত এবং গল্প নিজেই অবশেষে শুধুমাত্র একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধার্মিক মুসলিম অবস্থান হয়ে ওঠে। [99]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nদশম শতাব্দী আগে এই আয়াত প্রত্যাখ্যান পর্যন্ত আপত্তি অব্যাহত এবং গল্প নিজেই অবশেষে শুধুমাত্র একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধার্মিক মুসলিম অবস্থান হয়ে ওঠে। [99]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n617 সালে মাখজুম ও বানু আবদ-শামসের নেতৃবৃন্দের দু'জন গুরুত্বপূর্ণ কুরাইশ গোষ্ঠীগণ তাদের বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বী বনু হাশিমের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে বশ্যতা ঘোষণা করে, যাতে তারা মুহাম্মদকে রক্ষা করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। বয়কট তিন বছর স্থায়ী হয় কিন্তু অবশেষে এটি তার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে। [100] [101] এই সময়ে, মুহম্মদ পবিত্র তীর্থযাত্রীদের মাসে কেবল প্রচার করতে সক্ষম ছিলেন যার মধ্যে আরবদের মধ্যে সব যুদ্ধের অবসান হয়।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: ইসরা ও মিরাজঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nআল-আকসা মসজিদ, যিরূশালেমে আল-হারাম আশ-শরীফের অন্তর্গত অংশ এবং 705 সালে নির্মিত, তাকে সম্ভাব্য অবস্থানের সম্মান করার জন্য \"সর্বমোট মসজিদ\" নামে অভিহিত করা হয়, যেখানে মুহম্মদ তার রাতের যাত্রায় ভ্রমণ করেন। [102]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nইসলামিক ঐতিহ্য বলে যে 6২0 সালে, মুহাম্মদ ইসরা ও মিরজকে অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন, একটি অলৌকিক রাতের দীর্ঘ যাত্রা গাব্রিয়েল ফেরেশতা গাব্রিয়েলের সাথে ঘটেছিল। যাত্রার শুরুতে, ইসরা, তিনি মংকা থেকে একটি পশুর চূড়ায় \"সর্বাধিক মসজিদ\" ভ্রমণ করেছেন। পরে, Mi'raj মধ্যে, মুহাম্মদ স্বর্গ এবং নরকে ভ্রমণ করেনি বলেন, এবং আগে আব্রাহাম, মোশি এবং যীশু হিসাবে নবী সঙ্গে কথা বলেছিলেন। [103] ইবনে ইসহাক, মুহাম্মদ প্রথম জীবনী লেখক, একটি আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা হিসাবে ইভেন্ট উপস্থাপন; পরে ঐতিহাসিকরা, যেমন আল-তাবারী এবং ইবনে কাসীর, এটি একটি শারীরিক যাত্রা হিসাবে উপস্থাপন করে। [103]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nকিছু পশ্চিমা পণ্ডিতরা [যারা?] ধরেছিল যে ইসরা ও মীযার যাত্রা মক্কা থেকে পবিত্র আকাশ থেকে স্বর্গীয় আল Baytu l-Ma'mur (Kaaba এর স্বর্গীয় প্রোটোটাইপ) আকাশের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেছেন; পরে ঐতিহ্যগুলি মক্কা থেকে যিরূশালেম পর্যন্ত থাকার মুহুর্তের ভ্রমণকে নির্দেশ করে। [104] [পৃষ্ঠার প্রয়োজন\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহম্মদ এর স্ত্রী খাদিজা এবং কাকা আবু তালিব উভয়ই 619 সালে মারা যান, এই বছরটি \"দু: খের বছর\" নামে পরিচিত। আবু তালিবের মৃত্যুর সাথে সাথে বনু হাশিম গোত্রের নেতৃত্বে আবু লাহাবের নিকট চলে গেলেন, মুহাম্মদের এক দৃঢ় শত্রু। এর পরপরই, আবু লাহাব মুহাম্মদের কাছে কাহিনীর সুরক্ষা প্রত্যাহার করে নিলেন। এই বিপদ মুহাম্মদ স্থাপন; কান সুরক্ষা প্রত্যাহারের যে তার হত্যাকান্ডের জন্য রক্ত \u200b\u200bপ্রতিশোধ exacted হবে না অভিপ্রেত। মুহম্মদ তখন আরবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর Taif, এবং একটি অভিভাবক খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ এবং আরও শারীরিক বিপদ তাকে আনা। [15] [101] মুহম্মদকে মক্কা ফিরে আসতে বাধ্য করা হয়েছিল। মুতাইম ইবনে আদী (এবং বনু নওফালের গোত্রের সুরক্ষিত) নামক মক্কা লোকটি তার স্থানীয় শহরকে নিরাপদে ফিরে আসতে সক্ষম করে। [15] [101]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nঅনেক লোক ব্যবসায়ে মক্কা বা কাবা থেকে তীর্থযাত্রীদের পরিদর্শন করেন। মুহাম্মদ নিজেকে এবং তার অনুগামীদের জন্য একটি নতুন হোম সন্ধান করার জন্য এই সুযোগ গ্রহণ। বেশ কিছু অসফল আলোচনার পর, তিনি ইয়াসরিব (পরবর্তীতে মদিনা নামে পরিচিত) থেকে কিছু লোকের সাথে আশা খুঁজে পান। [15] ইয়াসরিব আরব জনসংখ্যার একেশ্বরবাদ পরিচিত ছিল এবং একটি নবী চেহারা জন্য প্রস্তুত ছিল কারণ একটি ইহুদি সম্প্রদায় সেখানে বিদ্যমান। [15] তারা মক্কাতে সার্বভৌমত্ব লাভের জন্য মুহাম্মদ ও নতুন বিশ্বাসের মাধ্যমেও আশা করেছিল; তীর্থযাত্রা স্থান হিসাবে Yathrib তার গুরুত্ব হিংসা ছিল। ইসলামে রূপান্তরিত হয় মদীনায় প্রায় সমস্ত আরব উপজাতি থেকে; পরবর্তী বছর জুন দ্বারা, পঞ্চাশ হাজার মুসলমান তীর্থযাত্রা জন্য মক্কা এসেছিলেন এবং মুহাম্মদ পূরণ। রাতের বেলা গোপনে তাকে দেখাতে, দলটি \"আল-আকাবা'র দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি\" বা \"প্রাচ্যের প্রতিশ্রুতি\" অনুসারে প্রাচ্যবিদগণের দৃষ্টিভঙ্গি হিসাবে পরিচিত হয়। [106] Aqabah এ অঙ্গীকার অনুসরণ, মুহাম্মদ তার অনুগামীদের Yathrib emigrate উত্সাহিত। যেমন Abyssinia যাও মাইগ্রেশন সঙ্গে, Quraysh অভিবাসী থামাতে চেষ্টা। যাইহোক, প্রায় সব মুসলমানই চলে যান। [107]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: হিজিরা:\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nহিজর মুহম্মদ এবং তার অনুগামীদের মক্কা থেকে মদিনা থেকে 6২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অভিবাসন। জুন 6২২ সালে তাকে হত্যার একটি পরিকল্পনা সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে মুহম্মদ মক্কা থেকে গোপনে ছিটকে পড়ে এবং তাঁর অনুসারীদের মদিনা থেকে [108] মক্কা থেকে 450 কিলোমিটার (280 মাইল) উত্তরে নিয়ে যান। [109]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমদিনায় অভিবাসনঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমদিনার বারোটি গুরুত্বপূর্ণ গোত্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধিদল, মোহাম্মদকে সমগ্র সম্প্রদায়ের জন্য প্রধান সালিসের দায়িত্ব অর্পণ করে; একটি নিরপেক্ষ বাইরের হিসাবে তার স্থিতি কারণে। [110] [111] ইয়াতরিবে যুদ্ধ ছিল: প্রাথমিকভাবে এই বিরোধ আরব ও ইহুদি জনগণের সাথে জড়িত ছিল, এবং প্রায় 6২0 সাল আগে প্রায় একশ বছর ধরে এটি স্থির ছিল। [110] ফলস্বরূপ ঘটনার উপর ক্রমবর্ধমান বধ এবং মতবিরোধ, বিশেষ করে বুতের যুদ্ধের পরে যে সমস্ত গোষ্ঠী জড়িত ছিল সেগুলি তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে উপজাতীয় ধারণা যে রক্ত-শত্রুতা এবং চোখের চক্ষুের আদিবাসী ধারণার কোনটিই কার্যকর হবে না বিতর্কিত মামলার বিচার করার ক্ষমতা ছিল এক ব্যক্তি। [110] মদিনা থেকে প্রতিনিধিরা নিজেদের এবং তাদের সহ-নাগরিকদেরকে তাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে মুহাম্মাদকে গ্রহণ করার অঙ্গীকার করে এবং শারীরিকভাবে তাদের নিজেদের মধ্যে একটিকে রক্ষা করে। [15]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহম্মদ তার অনুসারীদেরকে মদিনাতে চলে যেতে নির্দেশ দিলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না তাঁর সমস্ত অনুসারীরা মক্কা ত্যাগ করে। প্রস্থান এ প্রবঞ্চনা করা হচ্ছে, ঐতিহ্য অনুযায়ী, Meccans মুহাম্মদ খুন করার পরিকল্পিত আলী সাহেবের সহায়তায় মুহম্মদ তাকে দেখে মক্কাবাসীদেরকে বোকা বানিয়ে দিয়েছিলেন এবং আবু বকরের সাথে গোপনে চলাফেরা করতেন। [112] 6২২ খ্রিস্টাব্দে, মুহম্মদ মদীনায় চলে যান, একটি বৃহৎ কৃষি ওসিস। যারা মুহম্মদ বরাবর মক্কা থেকে স্থানান্তরিত হয়েছেন তারা মুজাহিদীন (অভিবাসী) নামে পরিচিত হয়েছেন। [15]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: মদিনার সংবিধানঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমদিনা গোত্রগুলির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান করার জন্য মুহাম্মাদ প্রথম বিষয়গুলির মধ্যে ছিলেন মদিনার সংবিধান হিসাবে পরিচিত একটি নথির খসড়া তৈরি করা, \"মক্কা থেকে আটটি মদিনা সম্প্রদায় ও মুসলিম অভিবাসীদের মধ্যকার একটি জোট বা ফেডারেশন প্রতিষ্ঠা\"; এই সকল নাগরিকের নির্দিষ্ট অধিকার এবং দায়িত্ব, এবং মদিনাতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সম্পর্ক (মুসলিম সম্প্রদায়সহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে, বিশেষ করে ইহুদি ও অন্যান্য \"বইয়ের পিপল\")। [110] [111] মদিনার সংবিধানে উম্মাহর সংবিধান সংজ্ঞায়িত সম্প্রদায়ের একটি ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে আকৃতির এবং পুরোনো আরব উপজাতির আইনসম্মতভাবে সংরক্ষিত। [15]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমদীনাতে ইসলামে প্রবেশের প্রথম গ্রুপ ছিল মহান নেতাদের ছাড়া গোষ্ঠী; এই গোত্রগুলি বাইরের প্রতিকূল নেতাদের দ্বারা বশীভূত হয়েছে। [113] এই মদিনার পৌত্তলিক জনসংখ্যার দ্বারা ইসলামের সাধারণ স্বীকৃতি দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছে, কিছু ব্যতিক্রম সঙ্গে। ইবনে ইসহাকের মতে, এটি ইসলামের জন্য সা'দ ইবনে মু'আদ (একটি বিশিষ্ট মদিনা নেতা) এর রূপান্তর দ্বারা প্রভাবিত ছিল। [114] যারা ইসলামে ধর্মান্তরিত এবং মুসলিম অভিবাসীদেরকে আশ্রয়ের জন্য মেডিনসকে আশ্রয় দেয়া হয় তারা আনসার (সমর্থক) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। [15] তারপর মুহাম্মদ অভিবাসীদের এবং সমর্থকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন এবং তিনি আলীকে নিজের ভাই হিসেবে বেছে নেন। [115]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eপ্রধান নিবন্ধ: মুহম্মদ এবং বদর যুদ্ধের তালিকাঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nঅভিবাসনের পর, মক্কার জনগণ মদীনায় মুসলমান অভিবাসীদের সম্পত্তি জব্দ করেছিল। [116] যুদ্ধ পরে মক্কা এবং মুসলমানদের মধ্যে মানুষের মধ্যে বিরতি আউট হবে মুহম্মদ কুরআন শরীফ মুসলমানদেরকে মক্কা আক্রমণের অনুমতি দেয় (সূরা আল-হজ্জ, কুরআন ২২: 39-40)। [117] ঐতিহ্যগত একাউন্ট অনুযায়ী, 11 ই ফেব্রুয়ারি, 6২4 তারিখে মদিনাতে মসজিদ আল-কিবলাতানে প্রার্থনাকালে মুহাম্মাদ আল্লাহর কাছ থেকে উদ্ঘাটন পেয়েছিলেন যে তিনি প্রার্থনাকালে যিরূশালেমের পরিবর্তে মক্কা উপভোগ করবেন। মুহম্মদ নতুন দিকের সমন্বয় সাধন করেন এবং তাঁর সঙ্গীগণ তাঁর নেতৃত্বের অনুসরণ করে, প্রার্থনাকালে মক্কা আক্রমণের ঐতিহ্য থেকে শুরু করে। [118]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nযারা যুদ্ধ করা হয় তাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কারণ তাদের প্রতি অন্যায় করা হয়েছিল। এবং প্রকৃতপক্ষে, আল্লাহ তাদের বিজয় দিতে সক্ষম। যাদেরকে সঠিকভাবে ছাড়া তাদের ঘর থেকে বের করা হয়েছে - কেবলমাত্র তারা বলে, \"আমাদের প্রভু আল্লাহ\"। আর আল্লাহ তা'আলা মানুষকে পরীক্ষা করে দেখেন না যে, অন্যদের মাধ্যমে কেউ কেউ মঠ, গির্জা, সমাজগৃহ ও মসজিদ ধ্বংস করে ফেলবে যেখানে আল্লাহ্র নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর আল্লাহ্ নিশ্চয়ই তাদের সমর্থন করবেন যারা তাঁকে সমর্থন করে। বস্তুতঃ আল্লাহ শক্তিধর এবং পরাক্রমশালী।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n\"\"\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n- কুরআন (২২: 39-40)\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমার্চ মাসে 6২4 খ্রিস্টাব্দে মক্কান মার্কেট কার্ভানে মুহম্মদ তিন শতাধিক যোদ্ধাদের আক্রমণ করেন। মুসলমানরা বদরের ঘোড়ার কাফেলা জন্য একটি অ্যাম্বুলেশন সেট। [119] পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন, মক্কা অভিযান মুসলমানদের প্রতারিত হয়নি কাফেলা রক্ষা করার জন্য একটি মক্কা বাহিনী পাঠানো হয়েছিল এবং কাফেলা নিরাপদ ছিল এমন শব্দ পাওয়ার পর মুসলমানদের মোকাবিলা করতে গিয়েছিল। বদর যুদ্ধ শুরু হয়। [120] যদিও তিন থেকে অধিক সংখ্যক, মুসলমানরা যুদ্ধে জয়লাভ করে, অন্তত পঁয়তাল্লিশ মক্কাবাসীকে হত্যা করে চৌদ্দজন মুসলমানের মৃত্যু হয়। তারা আবু জহল সহ অনেক মক্কা নেতাদের হত্যা করেও সফল হয়েছিল। [121] স্বেচ্ছাসেবী বন্দীদের অর্জিত হয়েছিল, যাদের মধ্যে অনেককে মুক্ত করা হয়েছিল। [1২2] [123] [1২4] মুহাম্মদ ও তার অনুসারীরা তাদের বিশ্বাসের নিশ্চিতকরণের বিজয় দেখেছিল [15] এবং মুহাম্মাদ বিজয় হিসেবে স্বীকৃত স্বর্গদূতদের কাছ থেকে সাহায্য লাভ করেছিলেন। এই যুগের কুরআনের আয়াত মক্কান আয়াতগুলির বিপরীত, সরকারের সমস্যা এবং লৌহ বা বিতর্কের মত বিষয়গুলির সাথে সম্পর্কিত। [125]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nবিজয় মদিনাতে মোহাম্মদের অবস্থানকে জোরদার করে এবং তার অনুগামীদের মধ্যে আগের সন্দেহ দূর করে দেয়। [126] ফলস্বরূপ, তাঁর বিরোধিতা কম কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে যারা এখনও রূপান্তরিত হয়নি তারা যারা ইসলামের অগ্রগতির বিষয়ে খুব তিক্ত ছিল। দুজন মুশরিক, আসস বিনতে মরওয়ান ও আওস মানত গোত্র এবং আবু 'আফাক অফ দ্য' আমর খ। 'আওফ গোত্র, মুসলিমদের নিন্দা ও অসম্মান করে শ্লোক রচনা করেছে। [127] তাদের নিজেদের বা অন্য কোনও গোষ্ঠীর লোকদের দ্বারা হত্যা করা হয়েছিল এবং মুহাম্মদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেনি। [127] যাইহোক, এই প্রতিবেদনটি কিছু কিছু জালিয়াতি দ্বারা বিবেচনা করা হয়। [128] ঐ সকল গোত্রের বেশিরভাগ সদস্য ইসলাম গ্রহণ করে, এবং সামান্য পুঁজিবাদী বিরোধিতা অব্যাহত থাকে। [12 9]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহাম্মদ মদিনা থেকে বেনু কায়েনুকা থেকে বহিষ্কৃত, তিনজন প্রধান ইহুদী উপজাতিদের মধ্যে একজন, [15] কিন্তু কিছু ঐতিহাসিকরা দাবি করেন যে মুহাম্মদ এর মৃত্যুর পর বহিষ্কৃত ঘটেছিল। [130] আল-ওয়াকিদীর মতে, আব্দুল্লাহ ইবনে উয়াই তাদের জন্য বক্তব্য রাখলে মুহম্মদ তাদের মৃত্যুদণ্ড থেকে বিরত ছিলেন এবং আদেশ দেন যে তারা মদিনা থেকে নির্বাসিত হবে। [131] বদর যুদ্ধের পর মুহম্মদ হেজাজের উত্তরের অংশ থেকে আক্রমণ থেকে তার সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য বেশ কয়েকটি বেদুইন \u003cspan style\u003d\"font-size: medium;\"\u003eউপজাতির সাথে পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। [15]\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: উহুদ যুদ্ধঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n\"মুহাম্মাদ ও উহুদ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী\", 1596 সালের মামলুক-তুর্কী সিয়ার-ই নেবী\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমক্কা তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেবার জন্য আগ্রহী ছিল। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য, মক্কাবাসীরা তাদের প্রতিপত্তি পুনঃস্থাপন করতে চেয়েছিল, যা বদরকে কমিয়ে দেয়। [132] পরবর্তী মাসগুলিতে, মক্কা মদীনাবাসীদের আক্রমণকারীদের পাঠিয়েছিলেন, যখন মুহম্মদ মক্কা ও তার সম্প্রদায়ের সাথে সংঘটিত অভিযান পরিচালনা করেছিলেন এবং মক্কান কাফেরের উপর আক্রমণকারীদের পাঠিয়েছিলেন। [133] আবু সুফিয়ান 3000 জন সৈন্য নিয়ে সেনাবাহিনীতে জড়ো হন এবং মদীনায় হামলা চালায়। [134]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nআবু সুফিয়ান মদিনায় আরেকটি আক্রমণের প্রতি তার প্রচেষ্টা নির্দেশ দেন। তিনি মদিনার উত্তর ও পূর্বে ভ্রমনীয় গোত্র থেকে সমর্থন লাভ করেন; মুহম্মদ এর দুর্বলতা সম্পর্কে প্রচার, লুঠের প্রতিশ্রুতি, কুরাইশের সম্মান এবং স্মৃতিচারণের মাধ্যমে। [140] মুহাম্মদ এর নতুন নীতি তার বিরুদ্ধে জোট প্রতিরোধ করা ছিল। যখন মদীনার বিরুদ্ধে জোট গঠন করা হয়, তখন তিনি তাদের বিরূদ্ধে অভিযান চালান। [140] মুহাম্মদ মদিনার বিরুদ্ধে প্রতিকূল অভিপ্রায় সঙ্গে massing পুরুষদের শুনি, এবং একটি গুরুতর ভাবে প্রতিক্রিয়া। [141] এক উদাহরণ কাব ইবনে আল আশরাফের বনু নাদির এর ইহুদি গোত্রের একজন সর্দার। আল আশরাফ মক্কা গিয়েছিলেন এবং কবিতা লিখেছিলেন যা বদরের যুদ্ধের পর মক্কারদের দুঃখ, রাগ এবং প্রতিশোধের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। [142] [143] প্রায় এক বছর পর, মুহাম্মদ মদিনা থেকে বনু নাদিরকে বহিষ্কার [144] সিরিয়াতে তাদের অভিবাসনের জন্য বাধ্য করা; তিনি তাদের কিছু সম্পত্তি গ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছিলেন, যেহেতু তিনি বনু নাদিরকে তাদের দুর্গের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলেন না। তার সম্পত্তি বাকি মুহাম্মদ দ্বারা ঈশ্বরের নামে দাবী হিসাবে এটি bloodshed সঙ্গে অর্জন করা হয়নি। মুহম্মদ বিভিন্ন আরব উপজাতিদের বিস্ময়করভাবে আতশবাজ বাহিনী নিয়ে বিস্মিত হয়েছিলেন, যার ফলে তার শত্রুরা তাকে ধ্বংস করতে একত্রিত করেছিল। মুহম্মদ তার বিরুদ্ধে একটি কনফেডারেশন প্রতিরোধ করার প্রচেষ্টা অসফল ছিল, যদিও তিনি নিজের বাহিনী বৃদ্ধি এবং অনেক সম্ভাব্য জাতিগোষ্ঠী তার শত্রুদের যোগদানে থামাতে সক্ষম ছিল। [145]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003eমদিনার অবরোধ\u0026nbsp;\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003cb style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003eমূল নিবন্ধ: ট্রেনের যুদ্ধঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমসজিদ আল-ক্বিবতাহান, যেখানে মুহাম্মদ নতুন ক্বিবলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বা প্রার্থনা এর দিকনির্দেশনা\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nনির্বাসিত বনু নাদিরের সহায়তায় কুরাইশের সামরিক নেতা আবু সুফিয়ান 10 হাজার লোকের একটি বাহিনী দখল করেন। মুহম্মদ প্রায় 3,000 জনের একটি বাহিনী প্রস্তুত করেছিলেন এবং সেই সময় আরবের অজানা আত্মরক্ষার একটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন; মুসলমানরা একটি ট্রঞ্চ খনন করে যেখানে মদিনা ঘোড়সওয়ার আক্রমণের জন্য উন্মুক্ত। এই ধারণাটিকে ফার্সি ভাষায় ইসলামে রূপান্তরিত করা হয়, সালমান ফারসী। মদিনার অবরোধ 627২ সালের 31 মার্চ শুরু হয় এবং দুই সপ্তাহ স্থায়ী হয়। [146] দুর্গগুলির জন্য আবু সুফিয়ানের সৈন্যরা প্রস্তুত ছিল না, এবং একটি অকার্যকর অবরোধ পরে, জোট সরকার ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। [147] কুরআন সূরা আল আহযাবের 33: 9 -২7 আয়াতে এই যুদ্ধের কথা আলোচনা করেছে। [87] যুদ্ধের সময়, মদিনার দক্ষিণে বনু কুরাইযার ইহুদী গোত্র, মক্কাবাসীদের সাথে মুহাম্মাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সাথে আলোচনার মধ্যে প্রবেশ করে। যদিও মক্কার বাহিনী এমন পরামর্শের দ্বারা প্রভাবিত ছিল যে মুহাম্মাদ নিশ্চিতভাবেই ভীতু হয়ে উঠতে পেরেছিলেন, তবুও তারা ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে ধ্বংস করতে পারেনি বলে আশার আশঙ্কা করেছিল। মুহম্মদ এর স্কাউটস দ্বারা ক্ষতিকারক প্রচেষ্টার কারণে দীর্ঘসূত্রী আলোচনার পর কোনো চুক্তিতে পৌঁছেনি। [148] জোটের পশ্চাদপসরণের পরে, মুসলমানরা বনু কুরাইজকে বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে অভিযুক্ত করে এবং তাদের দুর্গগুলিকে ২5 দিনের জন্য ঘেরাও করে। বনু কুরাইজা অবশেষে আত্মসমর্পণ করে; ইবনে ইসহাকের মতে, কয়েকজন মুসলমানকে ইসলাম থেকে পৃথক করার জন্য পুরুষদেরকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল, যখন নারী ও শিশুকে ক্রীতদাস করা হয়েছিল। [149] [150] ওয়ালিদ এন। আরাফাত ও বারকাত আহমদ ইবনে ইসহাকের বর্ণনা সম্পর্কে সঠিকভাবে বিতর্ক করেছেন। [151] আরাফাত বিশ্বাস করেন যে ইবনে ইসহাকের ইহুদি সূত্র, ঘটনাটির 100 বছরেরও বেশি সময় পর ইহুদি ইতিহাসের পূর্ববর্তী গণহত্যা স্মৃতির সাথে এই একাউন্টটি সংলগ্ন করেছে; তিনি ইবনে ইসহাককে তার সমসাময়িক মালিক ইবন আনাস এবং পরে ইবনে হাজারের \"অদ্ভুত কাহিনী\" একটি ট্রান্সমিটার দ্বারা অবিশ্বস্ত ঐতিহাসিক হিসেবে গণ্য করেন। [152] আহমদ যুক্তি দেন যে কেবলমাত্র কয়েকটি উপজাতি নিহত হয়েছে, যখন কয়েকজন যোদ্ধা নিছক দাসত্ব করতো। [153] [154] ওয়াট আরাফাতের আর্গুমেন্টকে \"সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাসযোগ্য\" বলে মনে করেন না, যখন মেহের জে। কিসার আরাফাত ও আহমদের আর্গুমেন্টের [স্প্যানিশ প্রয়োজন] বিপরীত। [155]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমদিনার অবরোধের কারণে, মক্কাবাসীরা মুসলিম সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার জন্য উপলব্ধ শক্তি প্রয়োগ করে। ব্যর্থতার প্রতিফলন একটি উল্লেখযোগ্য ক্ষতি ফলে; সিরিয়া সঙ্গে তাদের বাণিজ্য অদৃশ্য। [156] ট্রেনের যুদ্ধের পর, মুহম্মদ উত্তরে দু'টি অভিযান পরিচালনা করেন, উভয় যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়। [15] এই যাত্রার এক থেকে ফিরে (বা কিছু আগে আগে অন্যান্য প্রারম্ভিক অ্যাকাউন্ট অনুযায়ী), ব্যভিচার একটি অভিযুক্ত Ayisha বিরুদ্ধে ছিল, মুহাম্মদ এর স্ত্রী হযরত আয়েশা (রাঃ) হযরত আয়েশা (রা।) থেকে হযরত আয়েশা (রাঃ) -এর নির্দোষ প্রমাণের প্রমাণ পেয়েছিলেন এবং ব্যভিচারের অভিযোগে চারজন প্রত্যক্ষদর্শী (সূরা ২4, আন-নূর) সমর্থিত হয়েছিলেন। [157]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: হুদাইবিয়াহের চুক্তিঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ এবং সাহাল ইবনে আমর মধ্যে শান্তি চুক্তি। তারা তাদের অস্ত্র দশ বছর বিশ্রাম করার অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। এই সময় প্রতিটি পার্টি নিরাপদ হবে, এবং অন্য কোন ক্ষতি হবে; কোন গোপন ক্ষতি করা হবে না, কিন্তু তাদের মধ্যে সততা এবং সম্মান থাকবে। যে কেউ আরবের সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে চুক্তি বা মুহম্মদের সাথে চুক্তিতে প্রবেশ করতে চায় তাই করতে পারে এবং কুরাইশের সাথে চুক্তি বা চুক্তিতে প্রবেশ করতে চায়। আর যদি কোন কোরাইশই তার অভিভাবককে মোহাম্মদের অনুমতি ছাড়াই আসে, তবে তাকে কুরাইশের হাতে তুলে দেওয়া হবে; কিন্তু যদি অন্যদিকে, মুহাম্মদের একজন ব্যক্তি কুরাইশের কাছে আসে, তবে মুহাম্মাদকে তার হাতে তুলে দেওয়া হবে না। এই বছর, মুহাম্মদ তার সঙ্গীদের সঙ্গে, মক্কা থেকে প্রত্যাহার করা উচিত, কিন্তু পরের বছর, তিনি মক্কা আসতে পারে এবং তিন দিনের জন্য এখনও একটি যাত্রীর ছাড়া তাদের অস্ত্র ছাড়া থাকতে পারে; তলোয়ারগুলি তাদের কাঁধে রেখেছে। \"\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cb\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cb\u003e\n- হুদাইবিয়াহের চুক্তি [158]\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nযদিও মুহাম্মদ কোরআনের হাদিসের আজ্ঞা দিয়ে কুরআন শরীফ পাঠিয়েছিলেন, [15 9] মুসলমানরা কুরাইশদের শত্রুতা দ্বারা এটিকে অনুসরণ করেনি। শাওয়াল 6২8 মাসে মুহম্মদ তার অনুসারীদেরকে বলিষ্ঠ পশু সংগ্রহ করতে এবং মক্কা থেকে একটি তীর্থযাত্রা (umrah) প্রস্তুত করার আদেশ দেন এবং বলেন যে, ঈশ্বর তাঁর সাথে এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে একটি দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যখন তিনি তার মাথাটি কেটে ফেলার পর হজ্ব। [160] 1,400 মুসলমানদের কাছে আসার কথা শুনে কুরাইশ তাদের 200 রাস্তার পাশে দাঁড় করালেন। মুহম্মদ আরও কঠিন পথ গ্রহণ করে তাদের অনুসারীদেরকে মক্কা ব্যতীত আল-হুদাইবিয়ায় পৌঁছানোর জন্য সক্ষম হন। [161] ওয়াট অনুযায়ী, যদিও তীর্থযাত্রা তৈরীর মুহাম্মদ এর সিদ্ধান্ত তার স্বপ্নের উপর ভিত্তি করে ছিল, তিনি পৌত্তলিক মক্কা থেকে প্রদর্শন করা হয় যে ইসলাম অভয়ারণ্যের সম্মান হুমকি না, যে ইসলাম একটি আরবীয় ধর্ম ছিল। [161]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমক্কা দীর্ঘ কাবা কাবা এলাকার জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক এবং ধর্মীয় ভূমিকা অনুষ্ঠিত। মদিনাতে মুহম্মদ এর আগমনের 17 মাস পর, এটি মুসলিম কিবলা, অথবা প্রার্থনা (ছালাত) জন্য নির্দেশিকা হয়ে ওঠে। কাবা অনেক বার পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে; বর্তমান কাঠামো, 16২9 সালে নির্মিত, 683 নম্বরে একটি পূর্বের বিল্ডিং পুনর্নির্মাণ। [162]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমক্কা থেকে এবং মক্কা ভ্রমণ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু যদিও এই অব্যাহত, গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, মুসলিমদের একজন মধ্যস্থতাকারী, উসমান বিন আল-ফাফান, কোরাইশদের দ্বারা নিহত হয়েছিল। মুহম্মদ তীর্থযাত্রীদেরকে মক্কার সাথে যুদ্ধে নেমে আসার জন্য পালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন (অথবা মোহাম্মদের সাথে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তিনি তার সিদ্ধান্ত নেন)। এই প্রতিশ্রুতি \"গ্রহণের প্রতিশ্রুতি\" বা \"বৃক্ষ অধীন প্রতিশ্রুতি\" হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। উস্তমানের নিরাপত্তার খবর অব্যাহতভাবে আলোচনার জন্য অনুমোদিত হয় এবং দশ বছর শেষ হওয়া একটি চুক্তি অবশেষে মুসলমান ও কুরাইশের মধ্যে সই হয়ে যায়। [161] [163] চুক্তির প্রধান পয়েন্টগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল: যুদ্ধের অবসান, পরের বছর মুহম্মদ এর তীর্থযাত্রার প্রবর্তন, এবং তাদের অভিভাবক কর্তৃক অনুমতিক্রমে মদিনাতে প্রবেশ করে এমন কোন মক্কা ফেরত পাঠাতে চুক্তি। [161]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nঅনেক মুসলমান চুক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না। তবে কুরআনের সূরা \"আল-ফাৎ\" (বিজয়) (কুরআন 48: 1-29) তাদেরকে আশ্বাস দিয়েছিল যে এই অভিযানকে বিজয়ী হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। [164] পরে এটি ছিল যে মুহাম্মদের অনুসারীরা এই চুক্তির পিছনে সুবিধা উপলব্ধি করেছিল। এই বেনিফিটে মক্কা বিজয়ের প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভুক্ত ছিল যে মুহাম্মদকে সমান, সামরিক কার্যকলাপের অবসান, মদিনাকে শক্তিশালী করার ক্ষমতা এবং তীর্থযাত্রা রীতির দ্বারা প্রভাবিত মক্কাবাসীদের প্রশংসা করা। [15]\u003cbr /\u003e\n\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nযুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষর করার পর, খাইবারের ইহুদী ওসিসের বিরুদ্ধে মুহাম্মদের একটি অভিযান একত্রিত করে, যা খায়বার যুদ্ধ নামে পরিচিত। এটি সম্ভবত বনু নাদিরের হাউজিংয়ের কারণে, যিনি মুহাম্মদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উৎসাহিত ছিলেন, অথবা হুদাইবিয়ায় যুদ্ধের অসঙ্গতিপূর্ণ ফলাফলের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া থেকে প্রত্যাশা ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। [134] [165] মুসলিম ঐতিহ্যের কথা অনুযায়ী, মুহম্মদ অনেক শাসকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন, তাদেরকে ইসলামে রূপান্তর করার জন্য (সঠিক তারিখগুলি বিভিন্নভাবে উত্সগুলিতে দেওয়া হয়) বলে চিঠি পাঠিয়েছেন। [15] [166] [167] তিনি বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের হেরাক্লিয়াস (পূর্ব রোমীয় সাম্রাজ্য), পারস্যের খসরাউ, ইয়েমেনের প্রধান এবং অন্য কিছুকে বার্তাবাহক পাঠিয়েছিলেন। [166] [167] হুদাইবিয়িয়াহের যুদ্ধের পর, মুহম্মদ মুয়াতর যুদ্ধে ট্রান্সজর্ডিনি বাইজেন্টাইন মাটিতে আরবদের বিরুদ্ধে বাহিনীকে নির্দেশ দেন। [168]\u003cbr /\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-size: medium;\"\u003e\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/b\u003e\n\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003eচূড়ান্ত বছর\u0026nbsp;\u003c/b\u003e\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003eমক্কা বিজয়ঃ\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: মক্কা বিজয় অর্জনের পর মক্কা ও মুহাম্মদের বিজয়ঃ\u003c/span\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n16 তম শতাব্দীর অটোমান পাণ্ডুলিপি, সিয়ার-ই নেবি থেকে মক্কা ত্যাগ করে মুহম্মদ (মুখোমুখি মুখোমুখি মুখ) একটি চিত্রণ। দেবদূত গ্যাব্রিয়েল, মাইকেল, ইসরাফিল এবং আজরালও দেখানো হয়।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nHudaybiyyah এর দ্বন্দ্ব দুই বছর জন্য প্রয়োগ করা হয়। [169] [170] বানু খুজা গোত্রের গোষ্ঠী মুহম্মদদের সাথে ভাল সম্পর্ক ছিল, তবু তাদের শত্রু বানু বকর মক্কাবাসীদের সাথে সংযুক্ত ছিলেন। [169] [170] বাকের একটি গোত্র খূসা বিরুদ্ধে একটি রাতে ছিনতাই করেছে, তাদের কয়েকটি হত্যা। [169] [170] মক্কাবাসীরা বনু বকরকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল এবং কয়েকটি সূত্র অনুযায়ী, কয়েকজন মক্কানও যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। [169] এই ঘটনার পর, মুহম্মদ তিনটি অবস্থার সাথে মক্কা একটি বার্তা পাঠানো, তাদের এক গ্রহণ করার জন্য তাদের জিজ্ঞাসা। এই ছিল: মক্কা Khuzaah উপজাতি মধ্যে হত্যাকান্ডের জন্য রক্ত \u200b\u200bটাকা দিতে হবে, তারা বনু Bakr নিজেদের অস্বীকৃতি, অথবা তারা Hudaybiyyah নাল এর বিদ্রোহ ঘোষণা করা উচিত। [171]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমক্কাবাসীরা উত্তর দিয়েছিল যে তারা শেষ শর্ত গ্রহণ করেছে। [171] শীঘ্রই তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছিলেন এবং আবু সুফিয়ানকে হুদাইবিয়াহ চুক্তির পুনর্নবীকরণের জন্য পাঠিয়েছিলেন, মুহাম্মাদ\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহম্মদ একটি প্রচারণা জন্য প্রস্তুত শুরু করেন। [172] 630 সালে, মুহম্মদ 10,000 মুসলিম ধর্মান্তরিত সঙ্গে মক্কা অভিযান। ন্যূনতম হতাহতের সাথে মুহম্মদ মক্কা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছিলেন। [173] তিনি দশজন পুরুষ ও নারীকে হত্যা করে, যারা \"হত্যা বা অন্যান্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত\" বা যুদ্ধকে উস্কে দিয়েছিল এবং শান্তি বিঘ্নিত করেছিল, ব্যতিরেকে তিনি পূর্বের অপরাধের জন্য অ্যামনেস্টি ঘোষণা করেছিলেন। [174] এদের মধ্যে কয়েকটি পরে ক্ষমা করা হয়। [175] বেশিরভাগ মক্কা ইসলামে রূপান্তরিত এবং মুহম্মদ কাবাতে এবং চারপাশে আরবের সমস্ত মূর্তি ধ্বংস করার জন্য এগিয়ে যান। [176] [177] ইবনে ইসহাক ও আল-আযরাবি দ্বারা সংগৃহীত রিপোর্ট অনুযায়ী, মুহম্মদ ব্যক্তিগতভাবে মেরি ও ঈসা মসিহের ছবি আঁকেন বা ছবি আঁকেন, তবে অন্যান্য ঐতিহ্য থেকে বোঝা যায় যে সমস্ত ছবি মুছে ফেলা হয়েছে। [178] কুরআন মক্কা বিজয় সম্পর্কে আলোচনা করেছে। [87] [179]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003ca href\u003d\"https://2.bp.blogspot.com/-qOFGdphB_BY/W2H4xEbc4gI/AAAAAAAAAME/JX9ANH0xINcNRLmwiloc0ec3Xoa5WfBZACLcBGAs/s1600/images.jpg\" style\u003d\"margin-left: 1em; margin-right: 1em;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cimg alt\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" border\u003d\"0\" data-original-height\u003d\"183\" data-original-width\u003d\"275\" height\u003d\"424\" src\u003d\"https://2.bp.blogspot.com/-qOFGdphB_BY/W2H4xEbc4gI/AAAAAAAAAME/JX9ANH0xINcNRLmwiloc0ec3Xoa5WfBZACLcBGAs/s640/images.jpg\" title\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" width\u003d\"640\" /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/a\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: center;\"\u003eআরবের বিজয়\u003c/span\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: center;\"\u003e: হুনানের যুদ্ধ এবং তবককে অভিযানঃ\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমোহাম্মদ (হরিণ লাইন) এবং রশিদুন খলিফার (কালো লাইন) বিজয়। দেখানো হয়েছে: বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য (উত্তর ও পশ্চিম) এবং সাসানদ-ফার্সি সাম্রাজ্য (উত্তরপূর্ব)।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমক্কা বিজয় অর্জনের পর মুহম্মদ হাবিযনীর সংহতি গোষ্ঠীর একটি সামরিক হুমকি দ্বারা উদ্বিগ্ন ছিলেন যারা একটি বাহিনীকে মুহম্মদ এর আকারের দ্বিগুণ করে তুলতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। বনু হাওজিন মক্কার প্রাচীন শত্রু ছিলেন। তারা বনু থকিফ (তায়েফ শহরের বাসিন্দা) দ্বারা যোগদান করেছিল, যারা মক্কাবাদের প্রতিপত্তির পতনের কারণে মক্কার বিরোধী নীতি গ্রহণ করেছিল। [180] হুনাইনের যুদ্ধে মোহাম্মদ হাবজীন ও থাকিফ গোত্রকে পরাজিত করেন। [15]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nএকই বছরে মুয়াম্মার যুদ্ধে পূর্বের পরাজয়ের কারণে মুহম্মদ উত্তর আরবের বিরুদ্ধে আক্রমণের আয়োজন করেছিলেন এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে দমনমূলক আচরণের রিপোর্ট পেশ করেছেন। অনেক কষ্টে তিনি 30,000 জনকে একত্রিত করেছিলেন; যার অর্ধেক দ্বিতীয় দিনে আবদুল্লাহ ইবনে উবাইর সাথে ফিরে আসেন, যেসব শয়তানরা মুহম্মদ তাদের উপর ডুবে মারা গিয়েছিল। যদিও তবুও মুহাম্মাদ তাবুকে প্রতিকূল শক্তির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না, তবে তিনি অঞ্চলের কয়েকজন স্থানীয় প্রধানদের জমা দিয়েছিলেন। [15] [181]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nতিনি পূর্ব আরবের কোনও অবশিষ্ট পৌত্তলিক মূর্তি ধ্বংস করার আদেশ দেন পশ্চিমী আরবের মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সর্বশেষ শহরটি ছিল Taif। মুহম্মদ নগরীর আত্মসমর্পণ গ্রহণ না করা পর্যন্ত তারা ইসলামে রূপান্তর করার জন্য সম্মত হন এবং তাদের দেবী আল-লাত মূর্তি ধ্বংস করার অনুমতি দেন। [182] [183] \u200b\u200b[184]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nতবক যুদ্ধের এক বছর পর, বনু থাকিফ সম্পাদককে মোহাম্মদকে আত্মসমর্পণ করতে এবং ইসলাম গ্রহণের জন্য প্রেরণ করে। অনেক বেদুইন তাঁর আক্রমণের বিরুদ্ধে এবং যুদ্ধের লুটতরাজ থেকে উপকারের জন্য মুহাম্মদকে জমা দিয়েছিলেন। [15] যাইহোক, বেদুইনরা ইসলামের পদ্ধতিতে পরকীয়ায় ছিল এবং তারা স্বাধীনতা বজায় রাখতে চেয়েছিল: যথাঃ তাদের পিতা-মাতা ও পিতামহের ঐতিহ্য। মুহাম্মদকে একটি সামরিক ও রাজনৈতিক চুক্তির প্রয়োজন ছিল যার ভিত্তিতে তারা \"মদিনার সুবিধার কথা স্বীকার করে, মুসলমানদের ও তাদের মিত্রদের উপর আক্রমণ থেকে বিরত হবার জন্য এবং জাকাত, মুসলিম ধর্মীয় অনুপাতকে পরিশোধ করতে\" [185]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমূল নিবন্ধ: বিদায় তীর্থযাত্রাঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n6২3 খ্রিস্টাব্দে মদিনাতে অভিবাসনের দশম বছরের শেষের দিকে মুহম্মদ তার প্রথম সত্যিকারের ইসলামী তীর্থযাত্রা সম্পন্ন করেন, যা হজ নামে পরিচিত বার্ষিক গ্রেট তীর্থযাত্রার জন্য অগ্রাধিকার প্রদান করে। [15] 9 ই ধূ আল-হিজাব মুহম্মদ মক্কা থেকে পূর্ব আরাফাতের পর্বতে তার বিরাজিত ধর্মোপদেশ প্রদান করেন। এই ধর্মগ্রন্থে, মুহাম্মদ তার অনুগামীরা কিছু প্রাক-ইসলামী রীতিনীতি অনুসরণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি বলেছিলেন যে, একটি কালোের উপরে একটি সাদা কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই, এবং একটি কালো একটি ধার্মিকতা এবং ভাল কর্ম ছাড়া সাদা উপর কোন শ্রেষ্ঠত্ব আছে। [186] তিনি সাবেক আদিবাসী ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে পুরানো রক্তক্ষয়ী বিবাদ ও বিলোপকে বিলুপ্ত করেন এবং নতুন ইসলামী সম্প্রদায়ের সৃষ্টির কারণ হিসাবে পুরানো প্রতিশ্রুতিগুলি প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ করেন। তাঁর সমাজে নারীদের দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে মুহাম্মদ তার পুরুষ অনুগামীদের \"নারীদের প্রতি ভালোবাসা\" বলেছিলেন, কেননা তারা আপনার পরিবারে অবিবাহিত বন্দী (আভন) ছিলেন। আপনি তাদের বিশ্বাসে গ্রহণ করেছিলেন এবং আপনার যৌন সম্পর্ককে শব্দটির সাথে বৈধতা দিয়েছিলেন। ঈশ্বর, তাই আপনার অজ্ঞান মানুষ আসা, এবং আমার কথা শুনতে ... \"তিনি তাদের বলেন যে তারা তাদের স্ত্রী শৃঙ্খলা করার অধিকারী ছিল কিন্তু দয়ার সাথে এই কাজ করা উচিত। তিনি মৃতের পিতামাতা বা ক্লায়েন্ট সম্পর্কের মিথ্যা দাবীর বিরুদ্ধে উত্তরাধিকারের বিষয়টিকে সম্বোধন করে এবং তাঁর অনুগামীদের একটি সম্পদশালী উত্তরাধিকারীকে তাদের সম্পদ ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি প্রতি বছর চারটি চন্দ্র মাসের পবিত্রতা বজায় রাখেন। [187] [188] সুন্নী তফসীরের মতে, এই ঘটনার সময় নিম্নলিখিত কুরআন শরীফ বিতরণ করা হয়েছিল: \"আজ আমি আপনাদের ধর্ম নিখুঁত করেছি এবং আপনার জন্য আমার অনুগ্রহ সম্পন্ন করেছি এবং আপনার জন্য একটি ধর্ম হিসাবে ইসলামকে মনোনীত করেছি\" (কুরআন 5: 3)। [15] শিয়া তফসীরের মতে, এটি মুহম্মদ এর উত্তরাধিকারী হিসাবে খামের পুকুরে আলী ইবনে আবি তালিবের নিয়োগের উল্লেখ করে, এই ঘটনার কিছুদিন পর যখন মুসলমানরা মক্কা থেকে মদিনা পর্যন্ত ফিরে আসছিল। [189]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003ca href\u003d\"https://3.bp.blogspot.com/-KML9GumU9gk/W2H5YNlc_gI/AAAAAAAAAMM/NxpLUhT6EPYkbAzAqooWjd8pFbpeOyDaACLcBGAs/s1600/download%2B%25282%2529.jpg\" style\u003d\"margin-left: 1em; margin-right: 1em;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cimg alt\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" border\u003d\"0\" data-original-height\u003d\"194\" data-original-width\u003d\"259\" height\u003d\"476\" src\u003d\"https://3.bp.blogspot.com/-KML9GumU9gk/W2H5YNlc_gI/AAAAAAAAAMM/NxpLUhT6EPYkbAzAqooWjd8pFbpeOyDaACLcBGAs/s640/download%2B%25282%2529.jpg\" title\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" width\u003d\"640\" /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/a\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\n\u003c/span\u003e\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003eমহানবীর মৃত্যু এবং সমাধিঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/h3\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nবিদায়ের তীর্থযাত্রার পর কয়েক মাস পর, মুহম্মদ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং জ্বর, মাথা ব্যাথা এবং দুর্বলতার কারণে বেশ কয়েক দিন ভোগেন। তিনি সোমবার 8 জুন 6২3 খ্রিস্টাব্দে মদিনায় তাঁর স্ত্রী আইশার বাড়িতে 62 অথবা 63 বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। [1 9 0] আয়েশার মাথার উপর তাঁর মাথা রেখে তিনি তাঁর শেষ জগতের বস্তু (সাতটি কয়েন) এর নিষ্পত্তি করতে বললেন, তারপর তাঁর শেষ কথা বলেছিলেন:\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nহে আল্লাহ, আরে-রফিক আল আ'লা (সর্বোচ্চ বন্ধু, সর্বোচ্চ বন্ধু বা স্বর্গের সর্বোচ্চতম বন্ধু)। [1 9 1] [1 9 ২] [193]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n- মুহাম্মদ\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nইসলামের এনসাইক্লোপিডিয়া অনুসারে, দৈহিক ও মানসিক ক্লান্তি দ্বারা ফুটিয়ে তোলা মেদিনীন জ্বরের কারণে মুহম্মদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। [194]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: center;\"\u003e\n\u003ca href\u003d\"https://2.bp.blogspot.com/-oXHHIDobz-E/W2H6y2_XyAI/AAAAAAAAAMY/gv28yoj1WOY7kyrJ8RqEZOkXQSoKc4algCLcBGAs/s1600/download%2B%25283%2529.jpg\" style\u003d\"margin-left: 1em; margin-right: 1em;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cimg alt\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" border\u003d\"0\" data-original-height\u003d\"183\" data-original-width\u003d\"275\" height\u003d\"424\" src\u003d\"https://2.bp.blogspot.com/-oXHHIDobz-E/W2H6y2_XyAI/AAAAAAAAAMY/gv28yoj1WOY7kyrJ8RqEZOkXQSoKc4algCLcBGAs/s640/download%2B%25283%2529.jpg\" title\u003d\"হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস\" width\u003d\"640\" /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/a\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: justify;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; text-align: left;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003ch3 style\u003d\"clear: both; text-align: justify;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: small;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cb\u003eমুহাম্মদ (সঃ)মৃত্যুর পরে\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003cspan style\u003d\"text-align: center;\"\u003e\u003cb\u003eআরও তথ্য: মুহম্মদ, রশিদুন ও মুসলিম জয় লাভের জন্য উত্তরাধিকার:\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003cdiv class\u003d\"separator\" style\u003d\"clear: both; text-align: justify;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; text-align: left;\"\u003eমুহম্মদ তার জীবনের শেষ বছরগুলিতে এক আরব গোত্রের মুসলিম শাসনব্যবস্থায় আরবের বিভিন্ন গোত্রকে একত্রিত করেছিলেন। মুহম্মদ এর মৃত্যুর সাথে, তার উত্তরাধিকারী হবে কে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। [17] মুহাম্মদ এর একজন উর্ধ্বতন সহযোগী উমর ইবনে আল খাত্তাব, আবু বকর, মুহাম্মদ এর বন্ধু এবং সহযোগীকে মনোনীত করেছেন। অতিরিক্ত সমর্থন সহ আবু বকরকে প্রথম খলীফা হিসাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল। মুহাম্মদ (সা।) এর কয়েকজন সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে এই পছন্দটি বিতর্কিত ছিল যে, হযরত আলী ইবনে আবি তালিব, তার চাচাত ভাই এবং জামাতা, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আবু বকর অবিলম্বে পূর্ববর্তী পরাজয়ের কারণে বাইজ্যান্টাইন (বা পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য) বাহিনীর বিরুদ্ধে হেরে যান, যদিও তিনি প্রথমে আরব উপজাতিদের একটি বিদ্রোহকে একটি ঘটনাতে পরিণত করেছিলেন যা মুসলিম ঐতিহাসিকরা পরে রাইডার যুদ্ধ হিসাবে উল্লেখ করে \" ধর্মভ্রষ্টতা যুদ্ধ \"। [20 9]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nপূর্ব-ইসলামী মধ্যপ্রাচ্যে বাইজানটাইন ও সাসানীয় সাম্রাজ্য দ্বারা আধিপত্য ছিল। রোমীয়-ফার্সি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে উভয় অঞ্চলে এই অঞ্চলটি বিধ্বস্ত হয়, যা স্থানীয় গোত্রগুলির মধ্যে সাম্রাজ্যকে জনপ্রিয় করে তোলে।\u0026nbsp; এক দশকের মধ্যে মুসলমানরা মেসোপটেমিয়া, বাইজেন্টাইন সিরিয়া, বাইজেন্টাইন মিশর, [২11] পারস্যের বড় অংশ জয় করে এবং রশিদুন খিলাফত প্রতিষ্ঠা করে।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003ch3 style\u003d\"text-align: left;\"\u003e\n\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-family: inherit; font-size: medium;\"\u003e\u003cb\u003eহযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর\u0026nbsp;\u003c/b\u003e\u003cb\u003e\u003cspan\u003eচেহারাঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/h3\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nএকটি হিলিয়া হাফেজ ওসমান (164২-1698) দ্বারা মোহাম্মদকে বর্ণনা করেছেন।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nহাদিস 57 এবং হাদীস 60, [218] [২1 9] তাঁর সাহাবীদের দু'জন হ'ল মুহম্মদ আল-বুখারীর গ্রন্থ সহিহ আল-বুখারীতে বর্ণনা করা হয়েছে,\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nআল্লাহ তা'আলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল ও ক্ষুদ্র। তার চুল কোঁকড়া না লং ছিল না। যখন তিনি চল্লিশ বছর বয়সী ছিলেন তখন আল্লাহ তাকে (প্রেরিত) পরবর্তীতে তিনি দশ বছর মক্কা ও দশ বছর মদিনায় বসবাস করেন। যখন আল্লাহ তাকে তাঁর কাছে নিয়ে গেলেন, তখন তাঁর মাথায় ও দাড়ি-বিলাশে ২0 টি সাদা চুল ছিল।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n- আল-বারা\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহাম্মদ ইবনে ঈসা-তিরমিযীের গ্রন্থ শামিল আল মুস্তফা, আলি ইবনে আবি তালিব ও হিন্দ ইবনে আবি হালাকে প্রদত্ত বর্ণনা নিম্নরূপ: [২২1] [২২1] [২২২]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমোহাম্মদ মাঝারি আকারের, লম্বা বা খাঁটি চুল ছিল না, চর্বি ছিল না, একটি সাদা বৃত্তাকার মুখ ছিল, প্রশস্ত কালো চোখ, এবং লম্বা চোখের দোররা। যখন তিনি হাঁটছিলেন, তখন তিনি হাঁটতে হাঁটতে হাঁটছিলেন। তিনি তাঁর কাঁধের ব্লেডের মধ্যে \"ভাববাণী সীলমোহর\" করেছিলেন ... তিনি বিশাল ছিল। তার মুখ চাঁদ মত চকচকে। তিনি মৃদু মাপের তুলনায় লম্বা ছিল কিন্তু সুস্পষ্ট লম্বা চেয়ে ছোট। তিনি পুরু, কোঁকড়া চুল ছিল। তার চুলের plaits বিচ্ছেদ ছিল। তার চুল তার কানের লাউ অতিক্রম অতিক্রম করেছে তার বর্ণন ছিল আযহার [উজ্জ্বল, আলোকিত]। মুহম্মদ একটি প্রশস্ত কপাল ছিল, এবং জরিমানা, দীর্ঘ, খচিত ভ্রু যা পূরণ না। তার ভ্রু মধ্যে ছিল যখন তিনি রাগ ছিল distended যা একটি শিরা ছিল। তার নাক উপরের অংশ hooked ছিল; তিনি পুরু দাড়ি ছিল, মসৃণ গাল, একটি শক্তিশালী মুখ ছিল, এবং তার দাঁতের পৃথক পৃথক করা হয়। তার বুকে পাতলা চুল ছিল। তার ঘাড় একটি হিপোর মূর্তি এর ঘাড়ের মত ছিল, রূপালী এর বিশুদ্ধতা সঙ্গে মুহম্মদ অনুপযুক্ত, মজবুত, দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ, এমনকি পেট ও বুকে, বিস্তৃত চিত্তাকর্ষক এবং প্রশস্ত-কাঁধ।\u003cbr /\u003e\n\u003cspan style\u003d\"color: #444444;\"\u003e\u003cb\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\n\u003cspan style\u003d\"color: #444444; font-size: medium;\"\u003e\u003cb\u003eহযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর\u0026nbsp;\u003c/b\u003e\u003cspan\u003e\u003cb\u003eপরিবারঃ\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমুহম্মদের জীবন ঐতিহ্যগতভাবে দুটি কালের মধ্যে সংজ্ঞায়িত করা হয়: মক্কা (570 থেকে 6২২ খ্রিস্টাব্দ) এবং হিজরাতে মদিনা (6২২ থেকে 6২3) পর্যন্ত প্রাক হিজড়া (দেশান্তর)। মুহম্মদ মোট তের তের স্ত্রী ছিল বলে মনে করা হয়।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n২5 বছর বয়সে মুহাম্মদ 40 বছর বয়সে খাসিয়া বিনত খুওয়াল্লাদকে বিবাহ করেন। [227] বিয়ের 25 বছর ধরে চলে এবং সুখী ছিল। [228] এই বিয়েতে মুহম্মদ অন্য মহিলার সাথে বিয়েতে প্রবেশ করেননি। [22 9] [230] খাদিজার মৃত্যুর পর খাজা বিনতে হাকিম তাকে মোহাম্মদকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে তাকে সাওদা বিনত জামা, একজন মুসলিম বিধবা বা আয়েশা, উম রুমানের মেয়েকে বিয়ে করতে হবে। [157] খাদিজার মৃত্যুর পর মুহম্মদদের বিবাহ সর্বাধিক রাজনৈতিক বা মানবিক কারণের জন্য চুক্তি হয়েছিল। যুদ্ধে নিহত মুসলমানদের বিধবা নারীও ছিলেন একজন অভিভাবক ছাড়া, অথবা গুরুত্বপূর্ণ পরিবারের সদস্য বা গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন যাদেরকে তাদের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং প্রয়োজনীয়তার কারণে জোরদার করা হতো। [231]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nঐতিহ্যবাহী সূত্রে আয়েশা ছয় বা সাত বছর বয়সী ছিলেন যখন মোহাম্মদকে বিয়ে করা হয়েছিল, [157] [২3২] [২3] এবং নয় বা দশ বছর বয়সে বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছানোর আগেই তিনি বিয়ে করেননি। তার প্রায় 13 বছর বয়সী এবং সম্ভবত তার বিয়ের সময় তার তাত্ত্বিক তেরোতে। [241] [২4] 242] [243] [244] [245]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nমদিনার স্থানান্তরের পর মুহম্মদ, যিনি তার পঞ্চাশতম সময়ে ছিলেন, আরো অনেক নারীকে বিয়ে করেছিলেন।\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nখাদিজার গর্ভে (রুকাইয়া বিনতে মুহাম্মদ, উম্মুল কুলসুম বিন মুহাম্মদ, জাইনাব বিন মুহাম্মাদ, ফাতেমা জহরা) এবং দুই ছেলে (আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ও কাসিম ইবনে মুহম্মদ, যিনি শৈশবকালে মারা গেছেন)\u0026nbsp; চারটি কন্যা রেখেছিলেন।\u0026nbsp;\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/div\u003e\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\n\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/b\u003e\n\u003cb style\u003d\"color: #444444; text-align: center;\"\u003e\u003cspan style\u003d\"font-size: medium;\"\u003eমুসলিম ঐতিহ্য ও শেষ কথাঃ\u003c/span\u003e\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nআল্লাহর একত্বের সাক্ষ্য গ্রহণের পর, মুহাম্মদ এর নবুওয়াতের মধ্যে রয়েছে ইসলামী বিশ্বাসের প্রধান দিক। প্রত্যেক মুসলিম শাহাদাহে ঘোষণা করে: \"আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিই যে মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল।\" শাহাদাহ হ'ল মৌলিক ধর্ম বা ইসলামের তত্ত্ব। ইসলামী বিশ্বাস হল যে আদর্শগতভাবে শাহাদাহ একটি নবজাতক শব্দের প্রথম শব্দ। শিশুদের অবিলম্বে এটি শেখানো হয় এবং এটি মৃত্যুর উপর পঠিত হবে। ইসলামে ধর্মান্তরিত করার জন্য অ-মুসলমানদের ধর্মের অনুকরণ করা প্রয়োজন। [254]\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\n\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cdiv\u003e\u003cspan style\u003d\"font-family: inherit;\"\u003e\nসুন্নাহ হযরত মুহাম্মদ (স। হাদিস) নামে কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য উপস্থাপন করে এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানসমূহ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি, মৃতদের কবর, মানব ও আল্লাহর মধ্যকার প্রেমের সাথে জড়িত রহস্যের প্রশ্নে ব্যাপক ক্রিয়াকলাপের একটি বিস্তৃত বিন্যাস এবং বিশ্বাসকে আচ্ছাদন করে। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে মুসলমানদেরকে একে অপরকে উৎসাহিত করার জন্য শিক্ষা দিয়েছিলেন, \"তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক\" (আরবী: আস সালামু আলাইকুম) সমগ্র বিশ্বের মুসলিমদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়। দৈনিক নামাজ, রোযা এবং বার্ষিক তীর্থযাত্রা প্রধান ইসলামিক রীতির অনেক বিবরণই কেবল সুন্নাতে পাওয়া যায় না বরং কুরআনে আছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা। [26\u003cbr /\u003e\n\u003cb\u003e\u003cbr /\u003e\u003c/b\u003e\n\u003cb\u003eউৎসঃ কুরআন মজিদ ও হাদিস গ্রন্থ\u003c/b\u003e\u003c/span\u003e\u003c/div\u003e\n\u003cbr /\u003e\u003c/div\u003e\n\u003c/div\u003e\n"},"link":[{"rel":"replies","type":"application/atom+xml","href":"https://www.topbanglapages.com/feeds/5254704058700941163/comments/default","title":"মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন"},{"rel":"replies","type":"text/html","href":"https://www.topbanglapages.com/2018/08/blog-post_2.html#comment-form","title":"0টি মন্তব্য"},{"rel":"edit","type":"application/atom+xml","href":"https://draft.blogger.com/feeds/7469308662950623629/posts/default/5254704058700941163"},{"rel":"self","type":"application/atom+xml","href":"https://www.topbanglapages.com/feeds/posts/default/5254704058700941163"},{"rel":"alternate","type":"text/html","href":"https://www.topbanglapages.com/2018/08/blog-post_2.html","title":"    হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনী ও ইসলামের মূল ইতিহাস।"}],"author":[{"name":{"$t":"Md. Sazedur Rahman"},"uri":{"$t":"https://draft.blogger.com/profile/09905616054330765172"},"email":{"$t":"noreply@blogger.com"},"gd$image":{"rel":"http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail","width":"32","height":"32","src":"//blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgTYT0ZYv_I9n14nxCWkyUoQg3xPUZB6VSV7cUHCh2fdc8id9HLRwreq5pA9Wf1cTi63xfJraiLEicBgHxh3gi6DcT7KGsbEfJQDs3d3hNy_HBvHgnZU-KitzTkLdNFniY1ryNTe0bdnGuewoMrNa3lmYV2I2siVtGm2-VtIQk397o/s220/Best%20Sazedur%20Rahman.jpg"}}],"media$thumbnail":{"xmlns$media":"http://search.yahoo.com/mrss/","url":"https://2.bp.blogspot.com/-1eSB7qe5hS4/W2H9ZhNyG1I/AAAAAAAAAM4/ZKT5X9eyISw_56PrQclvjKV1_mQklKkmwCLcBGAs/s72-c/images%2B%25282%2529.jpg","height":"72","width":"72"},"thr$total":{"$t":"0"}}]}});